Election Commission: এবারের ভোটে সাফাই কর্মীরা থার্ড পোলিং অফিসার, কমিশনের সিদ্ধান্তে বিতর্ক

মালদহ: সই করতে পারে না। আঙুল ছাপ, এমন অনেকেই রয়েছেন থার্ড পোলিং অফিসার। শুধু তাই নয়, কো-অপারেটিভ হোলসেল কনজিউমার সোসাইটির হেল্পারও থার্ড পোলিং অফিসার। সাফাই কর্মী, ঝাড়ুদার, মজদুর সকলেই থার্ড পোলিং অফিসার। এহেন ভোটের ডিউটির নমুনা দেখে হতবাক সকলেই। উঠছে প্রশ্নও। চলছে শোরগোলও।
আজ ভোটের ডিউটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। আর সেখানেই দেখা যাচ্ছে এমন বহু নাম যাঁদের ভোট কর্মী হিসেবে কীভাবে নেওয়া হল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। অন্যদিকে ইংরেজবাজার পুরসভার প্রায় ৪০ জন সাফাই কর্মীকে থার্ড পোলিং অফিসার করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে শহর জুড়ে সাফাই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ইংরেজবাজার পুরসভা। ইতিমধ্যেই পুরসভার তরফ থেকে এই বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকেও। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন।
মালদহের অতিরিক্ত জেলা শাসক অনিন্দ্য সরকার বলেন, “সরকারি গাইডলাইন অনুযায়ী যাঁদের ডিউটি দেওয়া যায় তাঁদেরই ডিউটিতে দিচ্ছি আমরা। কিন্তু এরপরও যদি কোনও ইস্যু থাকে আমরা দেখব।” চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল, ইংরেজবাজার পুরসভার শুভময় বসু বলেন, “আমাদের সব স্থায়ী সাফাই কর্মীদের এমনকী মহিলা কর্মীদেরও নিয়ে গেছে থার্ড পোলিং অফিসার বানিয়েছে। এদের নির্বাচনী কোনও অভিজ্ঞতা নেই। এঁরা তো সমাজ পরিষ্কার করেন। এদেরই যদি কাজে লাগায় তাহলে কী হবে বলুন তো?”