Kunal Ghosh: ‘দেওয়ালে লিখে রাখুন…’, অভিষেকের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার তারিখ বলে দিলেন কুণাল

কলকাতা: তিনি দলের পুরনো সৈনিক। দলের যে কোনও বিপর্যয়ের সময়ে তাঁকে এক কাট্টা দাঁড়িয়ে লড়াই করতে দেখা গিয়েছে। সেটা আরজি কর আন্দোলনের সময়েই হোক কিংবা সন্দেশখালির ঘটনাই হোক। রাজনৈতিক মহলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত হিসেবে গণ্য করা হয়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের একাধিক প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে তাঁকে জোরালো সমর্থন করতে লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিশেষ করে দলের মধ্যে ‘নবীন বনাম প্রবীণ’ দ্বন্দ্বে কুণাল ঘোষকে অনেক সময়ই অভিষেকের ‘সেনাপতি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গিয়েছে। সেই কুণাল ঘোষ TV9 বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এসে খোলাখুলি জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী তৈরি হওয়ার জন্য তৈরি? কবে মুখ্যমন্ত্রী হবেন অভিষেক, সেটাও বলে দিলেন কুণাল।
প্রশ্ন শুনেই কুণাল জানান, গত কয়েক বছরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে দারুণ গ্রুমিং করেছেন। দলের ক্ষেত্রে অভিষেকের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি বলেন, “ইমোশনের সঙ্গে মর্ডান ম্যানেজমেন্ট মিশিয়ে পার্টির পরিকাঠামো তৈরি করছে। ইতিমধ্যেই মমতা-অভিষেক যুগলবন্দিতে ৪-৫টা জেনারেশন কাজ করছে। সেটা খুব সুন্দরভাবে করছে।”
বলাইবাহুল্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক কাঠামোয় যে পরিবর্তনগুলো আসছে, তাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অনেক সময় ‘কর্পোরেট স্টাইল ম্যানেজমেন্ট’ বা আধুনিক ব্যবস্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত করেন। তাঁর এমবিএ শিক্ষাগত পটভূমি এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ এই রূপান্তরের পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে। অভিষেকই প্রথম তৃণমূলে পেশাদার সংস্থা ব্যবহারের ওপর জোর দেন। আবেগের রাজনীতির পাশাপাশি ডেটা অ্যানালিটিক্স, বুথভিত্তিক সমীক্ষা এবং বিজ্ঞানসম্মত প্রচার কৌশলকে তিনি দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তুলেছেন। প্রার্থীর জনপ্রিয়তার হার মেপে টিকিট দেওয়ার যে সংস্কৃতি এখন দেখা যায়, তার কারিগর মূলত তিনিই।