রাতে কি বারবার কেঁদে উঠছে সন্তান? এই আয়ুর্বেদিক টোটকায় ঘুম আসবে নিমেষেই! - 24 Ghanta Bangla News
Home

রাতে কি বারবার কেঁদে উঠছে সন্তান? এই আয়ুর্বেদিক টোটকায় ঘুম আসবে নিমেষেই!

Spread the love

রাতে কি বারবার কেঁদে উঠছে সন্তান? এই আয়ুর্বেদিক টোটকায় ঘুম আসবে নিমেষেই!

সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন রাতে একটু নিশ্চিন্তে ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক তখনই শুরু হল বাচ্চার কান্না। মাঝরাতে হঠাৎ করে সন্তানের ঘুম ভেঙে যাওয়া বা বারবার উঠে পড়া শুধু যে বাচ্চার জন্য কষ্টকর, তা নয়— বাবা-মায়ের কপালে রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেয়। বাচ্চার এই অস্বস্তি বা খিটখিটে মেজাজ অনেক সময় বড় কোনও সমস্যার ইঙ্গিত দেয় না ঠিকই, তবে নিয়মিত এমনটা হতে থাকলে শিশুটির বিকাশেও তার প্রভাব পড়তে পারে। বাজারে চলতি অনেক ওষুধ থাকলেও, ছোটদের শরীরে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে একটা ভয় থেকেই যায়। আপনিও কি এই সমস্যায় ভুগছেন?  ঠিক এই জায়গাতেই বাজিমাত করতে পারে প্রাচীন আয়ুর্বেদ।

কেন বারবার ঘুম ভেঙে যায়?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, শিশুদের পরিপাকতন্ত্র এবং স্নায়ুতন্ত্র অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়। পেটে গ্যাস বা বদহজমের সমস্যা থাকলে কিংবা স্নায়বিক উত্তেজনা বেশি হলে তাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। আয়ুর্বেদ বলছে, শরীরে ‘পিত্ত’ দোষের ভারসাম্য বিগড়ে গেলে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

সমাধানের উপায় কী?

জায়ফল- রাতে বাচ্চার নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের জন্য জায়ফল অত্যন্ত কার্যকরী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য একটু জায়ফল ঘষে নিয়ে দুধে মিশিয়ে খাওয়ালে বা বাচ্চার কপালে পাতলা করে প্রলেপ দিলে দ্রুত ঘুম চলে আসে। এতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান মস্তিষ্ককে শান্ত করতে সাহায্য করে।

দেশি ঘি- আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, পায়ের তালুতে সামান্য গরম দেশি ঘি মালিশ করলে শরীরের উত্তেজনা প্রশমিত হয়। রাতে শোওয়ানোর আগে বাচ্চার দুই পায়ের পাতায় হালকা হাতে ঘি মালিশ করে দিন। এটি শরীরকে শিথিল করে এবং গভীর ঘুম আনতে সাহায্য করে।

অশ্বগন্ধা- যদি আপনার সন্তান একটু বড় হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সামান্য অশ্বগন্ধার গুঁড়ো হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারেন। এটি প্রাকৃতিকভাবে উদ্বেগ কমায় এবং পেশিকে আরাম দেয়।

ব্রাহ্মী তেল- বাচ্চার মাথায় ব্রাহ্মী তেল দিয়ে আলতো মালিশ স্নায়ুকে শান্ত রাখে। এটি শুধু ঘুমের মান উন্নত করে না, বাচ্চার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

তবে মনে রাখবেন, শিশুর খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের পরিবেশও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শোওয়ানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে টিভি বা মোবাইল থেকে দূরে রাখুন। তবে বাচ্চার অবস্থা যদি খুব জটিল হয়, তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *