TMC: করে খাওয়ার জন্যই কি ভোটে জিততে মরিয়া তৃণমূল? তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য ঘিরে চরম জলঘোলা - 24 Ghanta Bangla News
Home

TMC: করে খাওয়ার জন্যই কি ভোটে জিততে মরিয়া তৃণমূল? তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য ঘিরে চরম জলঘোলা

Spread the love

TMC: করে খাওয়ার জন্যই কি ভোটে জিততে মরিয়া তৃণমূল? তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য ঘিরে চরম জলঘোলা

পূর্ব বর্ধমান: ‘যদি ভোটে জিততে পারি, আমরা পাঁচটা বছর করে খেতে পারব।’ ভোটের আগে দলীয়ে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন তৃণমূল নেত্রী। আর তাঁর বক্তব্য ঘিরে এখন রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। নির্বাচনী কর্মী বৈঠকে বেফাঁস মন্তব্য পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি গার্গী নানা। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর বক্তব্যের ক্লিপিংস ছড়িয়ে পড়েছে, তাই নিয়েই শোরগোল।

বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বেলকাশ অঞ্চলে কর্মী বৈঠকে বক্তব্য রাখছিলেন। সভামঞ্চে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নিশীথ কুমার মালিককে পাশে বসে। তখনই গার্গী নাহাকে বলতে শোনা যায়, “এই নির্বাচন বৈতরণী যদি আমরা পার করতে পারি, আগামী পাঁচটা বছর কিন্তু আমরা সকলে ভালো থাকবো, আমরা সকলে করে খেতে পারবো।” এই মন্তব্যের ভিডিয়ো সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে ওঠেছে।

এই প্রসঙ্গে বর্ধমান উত্তর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় দাস স্বাভাবিকভাবেই তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, “উনি ঠিকই বলেছেন। তৃণমূল মানেই করে খাওয়ার রাস্তা। পঞ্চায়েত থেকে বিধায়ক সব স্তরেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ মানুষের উন্নয়ন হয়নি, বহু গ্রামে এখনও কাঁচা রাস্তা ও অনুন্নত অবস্থা রয়েছে। তাই ওরা জানে, ক্ষমতা হারালে এই সুযোগও বন্ধ হয়ে যাবে।”

অন্যদিকে, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম এই মন্তব্যের পক্ষে সাফাই দিয়ে বলেন, “ওনার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে সাধারণ মানুষের কাজের সুযোগ কমে যাবে, এই প্রেক্ষিতেই তিনি ওই কথা বলেছেন। বিজেপি এই বিষয়টি নিয়ে অযথা রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে।”

যদিও ঘটনাটি কয়েকদিন আগের, তবে ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ বাড়ছে। নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের নির্বাচনী ময়দানে। এই ঘটনায় সহসভাধিপতি গার্গী নাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “গোটা চার মিনিটের বক্তব্যটা শুনতে হবে।এসব বিজেপি চর্চার বিষয়। এতে কারোর যায় আসে না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *