Election Commission: তৃণমূল অভিযোগ তুলেছিল, মালদহের চার কেন্দ্রের পর্যবেক্ষককে সরাল কমিশন - 24 Ghanta Bangla News
Home

Election Commission: তৃণমূল অভিযোগ তুলেছিল, মালদহের চার কেন্দ্রের পর্যবেক্ষককে সরাল কমিশন

Spread the love

Election Commission: তৃণমূল অভিযোগ তুলেছিল, মালদহের চার কেন্দ্রের পর্যবেক্ষককে সরাল কমিশন

কলকাতা: তৃণমূলের তরফ থেকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও সাংসদ সায়নী ঘোষ সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলায় নিযুক্ত চার পর্যবেক্ষকের বিরুদ্ধে ওই আগে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনেন। চার জনের ছবি দেখান, তার নীচে লেখা ছিল ‘EXPOSE’। তৃণমূলের অভিযোগের পরে মালদহের চার কেন্দ্রের পুলিশ পর্যবেক্ষক পরির্বতন করে দিল নির্বাচন কমিশন। নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে বিহার ক্যাডারের আইপিএস অফিসার হৃদয় কান্তকে নিয়োগ করেছে কমিশন। হৃদয়ের বাড়ি ঝাড়খণ্ডে।

এর আগে কমিশন মালদহের চার কেন্দ্র-মানিকচক, মোথাবাড়ি, সুজাপুর এবং বৈষ্ণবনগরে পুলিশ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছিল জয়ন্ত কান্তকে। জয়ন্ত উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। তৃণমূলের দাবি, কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকের স্ত্রী বিহারের বিজেপি নেত্রী। তাদের প্রশ্ন, স্ত্রী বিজেপির নেত্রী হলে তাঁর স্বামী কীভাবে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করবেন?

মালদহ ছাড়াও আরও পাঁচ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে পরিবর্তন করেছে কমিশন। নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে –

১) জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি

২) জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি

৩) খড়গপুর সদর, পিংলা, খড়গপুর, ডেবরা

৪) বাগদা, বনগাঁ উত্তর

৫) হাবরা, অশোকনগর, আমডাঙা

প্রসঙ্গত, মালদহের গাজোলে এর আগে পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছিল ধীরজ কুমারকে। ছবি দেখিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনে তৃণমূল।  তৃণমূলের দাবি,  মহারাষ্ট্র সরকারে হেলথ কমিশনার হিসাবে কাজ করতেন। ৮ হাজার কোটি টাকার অ্যাম্বুলেন্সের টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ৮ দিনের মাথায় টেন্ডার ডাকা হয়। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, স্থানীয় নেতার আত্মীয়কে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। তৃণমূলের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পরামর্শেই পর্যবেক্ষকদের বাংলায় পাঠিয়েছে কমিশন। বনগাঁ থেকে বালিগঞ্জ, একাধিক আসনে পর্যবেক্ষকদের নিয়ে প্রশ্ন ব্রাত্য-সায়নীর। ব্রাত্যর খোঁচা, পরিস্থিতি এমন তৈরি হয়েছে, ২৯৪টি আসনে তিনিই প্রার্থী, এমনই বার্তা দিচ্ছেন জ্ঞানেশ কুমার।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *