TMC: ভবানীপুরে মমতাকে কত ভোটে জেতাতে হবে, টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক - 24 Ghanta Bangla News
Home

TMC: ভবানীপুরে মমতাকে কত ভোটে জেতাতে হবে, টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক

Spread the love

TMC: ভবানীপুরে মমতাকে কত ভোটে জেতাতে হবে, টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক

কলকাতা: ছাব্বিশের নির্বাচনে মেগা ডুয়েল হতে চলেছে ভবানীপুরে। আর সেই মেগা ডুয়েলে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কত ভোটে জেতাতে হবে, সেই টার্গেট এবার বেঁধে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক স্পষ্ট করে দিলেন, কমপক্ষে ৬০ হাজার ভোটে জেতাতে হবে দলের সুপ্রিমোকে। আত্মতুষ্টিতে ভুগলে হবে না বলে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বার্তা দিলেন অভিষেক।

ছাব্বিশের নির্বাচনে ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে তাঁদের মেগা লড়াই হয়েছিল। সেই লড়াইয়ে ১৯৫৬ ভোটে জিতেছিলেন শুভেন্দু। তবে ভবানীপুর মমতার গড় হিসেবে পরিচিত। ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে জয়ী হন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও নন্দীগ্রামে পরাজয়ের পর ভবানীপুরে উপনির্বাচনে প্রার্থী হন। একুশের সেই উপনির্বাচনে সাড়ে ৫৮ হাজারের বেশি ভোটে জেতেন তিনি।

মমতার সেই জয়ের ব্যবধান-ই এদিন বাড়ানোর বার্তা দিলেন অভিষেক। নির্বাচনী প্রচারে উত্তরবঙ্গ যাবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তার আগে এদিন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে কর্মিসভা করেন তিনি। সেখানে মমতা ও অভিষেক ছাড়া ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত বক্সীদের মতো নেতারা। ভবানীপুর বিধানসভার অন্তর্গত আটটি ওয়ার্ডের একটির কাউন্সিলর ফিরহাদ। বাকি সাত কাউন্সিলর ও ভবানীপুর এলাকর তৃণমূল কর্মীরা এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সেখানেই অভিষেক বলেন, “ভবানীপুরে আমাদের ২৩১টা বুথে লিড ছিল। এবার তাকে ছাপিয়ে যেতে হবে। এই লড়াইয়ে কেউ যেন আত্মতুষ্টিতে না ভোগেন। নিজেদের জায়গায় অন্তত ৫টা করে ভোট বাড়াতে হবে। এই কেন্দ্রে তৃণমূলকে শুধু জেতালে হবে না। জয়ের মার্জিন ৬০ হাজারের বেশি করতে হবে। কলকাতার মধ্যে প্রথম হতে হবে ভবানীপুরকে।”

দলের নেতা-কর্মীদের অভিষেক বার্তা দেন, “দিদির দশ প্রতিজ্ঞা নিয়ে মানুষের কাছে প্রচার করুন। মানুষকে বলুন আমাদের সরকার যতদিন থাকবে ততদিন লক্ষ্মীর ভান্ডার চলবে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদির লাইফ স্টাইল বদলেছে। দিদি সাধারণ মানুষের মতোই জীবন নির্বাহ করেন। আমাদের সরকার দিচ্ছে আর মোদী কেড়ে নিচ্ছেন। আমরা আমাদের রিপোর্ট কার্ড নিয়ে যাব সাধারণ মানুষের কাছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *