Rituparna Adhya: ‘এক বস্ত্রেই মসজিদ-মন্দিরে এলাম’, মতুয়াগড়ে প্রার্থী হয়েই বিজেপিকে আক্রমণ ঋতুপর্ণার - 24 Ghanta Bangla News
Home

Rituparna Adhya: ‘এক বস্ত্রেই মসজিদ-মন্দিরে এলাম’, মতুয়াগড়ে প্রার্থী হয়েই বিজেপিকে আক্রমণ ঋতুপর্ণার

Rituparna Adhya: ‘এক বস্ত্রেই মসজিদ-মন্দিরে এলাম’, মতুয়াগড়ে প্রার্থী হয়েই বিজেপিকে আক্রমণ ঋতুপর্ণার

বনগাঁ: রাজনীতির সঙ্গে পরিবারের যোগ দীর্ঘদিনের। এবার তাঁর উপর ভরসা করছ দল। প্রার্থী করে দিয়েছে বনগাঁ দক্ষিণের মতো বহুল চর্চিত কেন্দ্রে। নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে নামার আগে এবার সোজা বনগাঁ সাত ভাই কালিতলার মন্দিরে চলে গেলেন ঋতুপর্ণা আঢ্য। চাইলেন রাজনৈতিক শুভকামনা। বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় কর্মীদের উপস্থিতিতে ভক্তিভরে পুজো দিতে দেখা যায় ঋতুপর্ণাকে। নিজের জয়ের চাওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও মন্দিরে বিশেষ পুজো দেন তিনি। নিজেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সে কথা বলেন। দল যাতে গোটা রাজ্যেই ভাল ফল করতে পারে তাও চান মায়ের কাছে। বলেন, “মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে আমি যেন বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে উন্নয়নের কাজ করার সুযোগ পাই, এটাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।” 

পুজো শেষে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় জোরদার জনসংযোগও সারতে দেখা যায় তাঁকে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথাও শোনেন। এরইমাঝে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান প্রচারের অভিজ্ঞতার কথাও। ঋতুপর্ণা বলছেন, মাঠে নামতেই সাধারণ মানুষের থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। তাঁর কথায়, মানুষের এই ভালোবাসা ও সমর্থনই তাঁকে লড়াই করার বাড়তি শক্তি জোগাচ্ছে। খানিক হাসিমুখেই বলেন, “যেদিন থেকে প্রার্থী হিসাবে আমার নাম ঘোষণা করেছেন সেদিন থেকে আমার প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছি। ইদের দিন তো মসজিদেও গিয়েছিলাম, তারপর মন্দিরেও এলাম। এই বস্ত্রে দুই জায়গায় গিয়েছি। আমাদের নেত্রী আমাদের বিভেদ করতে শেখান না।”

 এদিকে এবার আবার মতুয়াগড়ে পুরনো মুখেই ভরসা রেখেছে বিজেপি। বদল হয়নি প্রার্থী। বনগাঁ দক্ষিণে বিদায়ী বিধায়ক স্বপন মজুমদারকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। নাম ঘোষণার পরেই গোপালনগরের পল্লা বাজার ও চাঁদপাড়ায় মিছিল করেন স্বপন। অন্যদিকে তৃণমূল ঋতুপর্ণাকে টিকিট দিতেই স্বপনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তিনিও। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খানিক সুর চড়িয়েই বলেন, দীর্ঘদিন থাকার পরেও এখানকার বিজেপি বিধায়ক কোনও কাজই করেননি। এরপরেই তাঁর সংযোজন, “ভগবানের কৃপায় আমি এখন এমন একটা দলে সুযোগ পেয়েছি যেখানে কাজ করার অনেক জায়গা রয়েছে। আমি কাজ করতে চাই। নবীন-প্রবীণ দুই শিবিরকেই একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *