RG Kar: ‘এরা ফূর্তি করেছে, গান শুনেছে, মানুষ মেরেছে…’, আরজি কর-কাণ্ডে বিস্ফোরক অভিযোগ আদালতে - 24 Ghanta Bangla News
Home

RG Kar: ‘এরা ফূর্তি করেছে, গান শুনেছে, মানুষ মেরেছে…’, আরজি কর-কাণ্ডে বিস্ফোরক অভিযোগ আদালতে

Spread the love

RG Kar: ‘এরা ফূর্তি করেছে, গান শুনেছে, মানুষ মেরেছে…’, আরজি কর-কাণ্ডে বিস্ফোরক অভিযোগ আদালতে

কলকাতা: দুঃস্বপ্নের লিফট। মর্মান্তিক ঘটনায় ফের একবার শিরোনামে উঠে এসেছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ। নাগেরবাজারের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচজনকে শুক্রবারই গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ, শনিবার তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়। জামিনের আর্জি জানিয়ে তাঁদের দাবি, আসল অভিযুক্তদের আড়ালে রেখে নিরীহ মানুষদের সামনে আনা হচ্ছে। তবে সরকারি আইনজীবীরা দাবি করেন, কড়া শাস্তি দেওয়া হোক এই অভিযুক্তদের।

সরকারি আইনজীবী এদিন আদালতে বলেন, “এরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ফূর্তি করেছে। গান শুনেছে, মানুষ মেরেছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রকে এরা মানুষ মারার যন্ত্র করে দিয়েছে। লিফট বন্ধ রাখার দায়িত্ব ছিল, সেই কাজ করেনি।” তদন্তের প্রয়োজনে এদের প্রত্যেককে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানানো হয়।

লিফটে আটকে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করে শিয়ালদহ আদালত পেশ করা হয়। অভিযুক্তদের আইনজীবীরা যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন করেন। তাঁদের দাবি, যে পাঁচজনকে গ্রেফতার হয়েছে তাঁদের মধ্যে দু’জন নিরাপত্তারক্ষী আছেন, লিফটের জন্য নির্দিষ্ট লিফটম্যান আছেন। সিকিউরিটি গার্ড লিফটের সমস্যা বিষয়ে কীভাবে বুঝবেন, প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। নিরাপত্তারক্ষীরা বলছেন, “লিফটের বিষয়ে কী অভিজ্ঞতা আছে আমাদের? আসল অভিযুক্তদের আড়ালে রেখে নিরীহদের নিয়ে আসা হয়েছে। তদন্তকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।” যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানান তাঁরা।

আদালতে মৃতের পরিবারের তরফে আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন। কর্মীদের গাফিলতির অভিযোগ তুলে ধরেন তাঁরা। পাশাপশি মৃতের পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন, এই পাঁচজন ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন ছিল, যারা নিজেদের দায়িত্ব পালন করেনি। তাঁদের প্রত্যেককে তদন্তের আওতায় আনা হোক বলে দাবি জানিয়েছে মৃতের পরিবার। সব পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল জবাব শোনার পর বিচারক আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *