Katwa: কাটোয়ায় শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব, এক রাতেই শেষ বিঘের পর বিঘে জমির ধান-পেঁয়াজের! মাঠে নামল নৌকা - 24 Ghanta Bangla News
Home

Katwa: কাটোয়ায় শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব, এক রাতেই শেষ বিঘের পর বিঘে জমির ধান-পেঁয়াজের! মাঠে নামল নৌকা

Spread the love

Katwa: কাটোয়ায় শিলাবৃষ্টির তাণ্ডব, এক রাতেই শেষ বিঘের পর বিঘে জমির ধান-পেঁয়াজের! মাঠে নামল নৌকা

কাটোয়া: আচমকা শিলা বৃষ্টিতে এমনিতেই মাথায় হাত চন্দ্রকোনার আলুচাষিদের। বিঘের পর বিঘে জমির আলু ইতিমধ্যেই জলের তলায় চলে গিয়েছে। এবার শিলাবৃষ্টিতে কাটোয়া মহকুমা জুড়ে বোরো ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি। ক্ষতি পিয়াজ চাষেও। বৃষ্টির জল জমেছে মাঠে। ফলে সেখানে চাষ করা এখন দুঃসাধ্য। খড়ি নদীর জল বেড়ে প্লাবিত হয়েছে বিঘার পর বিঘা জমি। নৌকা নেমেছে জমিতে। আচমকা শিলাবৃষ্টি, সঙ্গী নদীর বেড়ে যাওয়া জলে চাষের ব্যাপক ক্ষতিতে মাথায় হাত কৃষকদের। 

শুক্রবার সন্ধ্যার পরেই কাটোয়া এক নম্বর ও দু নম্বর ব্লকের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ব্যাপক শিলাবৃষ্টির সঙ্গে ঝড় শুরু হয়। কয়েক ঘন্টা ধরে লাগাতার চলে শিলাবৃষ্টি। এলাকার পলসোনা, আলমপুর, করুই শিঙি গ্রাম-সহ বহু এলাকায় বিঘের পর বিঘে জমিতে ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন কৃষকরা। শিলাবৃষ্টিতে সদ্য গজানো ধানের শীসও নষ্ট হয়েছে। পিয়াঁজ-রসুনের জমিতে চাষের জমিতে জল দাঁড়িয়ে যাওয়ায় পিঁয়াজ ও রসুন পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষীরা। জমির জলে ডুবে থাকা পেঁয়াজ সংগ্রহে মরিয়া চেষ্টাও করেন অনেকে। যেটুকু বাঁচানো গিয়েছে তা আনা হচ্ছে নৌকা করে। এদিকে অধিকাংশ কৃষকই ব্যাঙ্ক বা সমিতি থেকে লোন নিয়ে চাষ করেছিলেন। এখন সেই লোন মেটাবেন কী করে তা ভেবেই ঘুম উড়েছে তাঁদের। 

এলাকার এক কৃষক বলছেন, “কাল এত প্রথমে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। বাড়িতে প্রায় ২-৩ ইঞ্চি পুরু বরফের পাথর জমে যায়। তারপর তো প্রায় সারারাতই বৃষ্টি হয়েছে। ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যেগুলো বেঁচে গিয়েছে সেগুলি পচেও যেতে পারে। গোটা এলাকার জমিতে জল জমে গিয়েছে। সঙ্গে নদীও উপচে পড়ে সেই জল এলাকায় ঢুকে পড়েছে।” রহমত শেখ নামে এলাকার আর এক কৃষক বলছেন, “পুরো চাষটাই করেছি লোন নিয়ে। এখন কীভাবে কী করব বুঝতে পারছি না। কিছু পেঁয়াজ ঘরে তুলেছি বটে, কিন্তু সেগুলও পচে যাবে বলেই মনে হচ্ছে। সরকার যদি এখন আমাদের কথা ভাবে তাহলে কিছুটা স্বস্তি পাই।”  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *