Nadia Oil Crisis : পেট্রল-ডিজ়েল নেই, পাম্পগুলিতে লম্বা লাইন! বাংলায় তেলের হাহাকার... - Bengali News | Oil crisis in Nadia due to west asia conflict - 24 Ghanta Bangla News
Home

Nadia Oil Crisis : পেট্রল-ডিজ়েল নেই, পাম্পগুলিতে লম্বা লাইন! বাংলায় তেলের হাহাকার… – Bengali News | Oil crisis in Nadia due to west asia conflict

Spread the love

নদিয়া : তেলের হাহাকার। পেট্রোল পাম্পগুলিতে লম্বা লাইন। সারি সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে। মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে পাম্প গুলিতে। তেল কেনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কেউ কেউ আবার তিন-চারটে পাম্প ঘুরেও তেল পাচ্ছেন না। নদিয়ার ছবিটা ঠিক এমনই। হঠাৎ কেন এই ভয়াবহ পরিস্থিতি? মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে তেল সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কাতেই মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরেই শোনা যাচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে ভারতে তেল সংকট তৈরি হতে পারে। দু’দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের ভান্ডারে আর ২৫ দিনের তেল মজুত রয়েছে। আর তেল সংকট তৈরি হলে পেট্রোল-ডিজেলের দামও বাড়তে পারে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনই তাঁরা ভাবনা-চিন্তা করছে না। কিন্তু, মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যদি আর তেল না পাওয়া যায়? যদি দাম বেড়ে যায় ডিজ়েলের? সেই আতঙ্ক থেকেই তেল কেনার হিড়িক পড়ে গিয়েছে নদিয়ার পেট্রোল পাম্পগুলিতে।

ভারতে যদি তেল সংকট তৈরি হয়, তাই আগের থেকেই ঘরে তেল মজুত করে রাখতে চাইছেন অনেকে। এক ক্রেতা জানাচ্ছেন, যুদ্ধের জন্য ডিজ়েল পাওয়া যাবে না বলছে। তাঁর চাষবাস রয়েছে। ধান চাষের জন্য ডিজ়েল কিনতে এসেছেন। প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কিন্তু, ডিজ়েল নেই। এদিকে, তেল কেনার হিড়িক পড়তেই পেট্রোল পাম্পগুলি তেলশূন্য হয়ে পড়ছে। পেট্রোল পাম্পের এক কর্মী বলেন,”দু’দিন ধরে ডিজ়েলের প্রচুর বিক্রি হয়েছে। ফলে ডিজ়েল শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন ডিজ়েল দেওয়া সাময়িক বন্ধ রয়েছে। পেট্রোল রয়েছে। তবে, পেট্রোলও প্রচুর বিক্রি হচ্ছে। আগে কোনওদিন এত বিক্রি হয়নি তেল। বাইরে যা পরিস্থিতি, তার জন্য এই সংকট তৈরি হয়েছে।

রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে। সেখানে কিছু কিছু পেট্রোলপাম্প এবং কিছু লোক আতঙ্কে তৈরি করে তাঁরা অহেতুক তেল মজুত করছে। এটা করবেন না। ভারতের কাছে প্রচুর পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল রয়েছে। যুদ্ধপথ এড়িয়েও ভারতে তেল আসার রাস্তা খোলা রয়েছে। গুজবে কান দিয়ে তেল সঞ্চয়ের খেলায় মাতবেন না।”

তৃণমলের কৃষ্ণনগর জেলা যুব সভাপতি অয়ন দত্ত বলেন,”পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে ভারতের কাছে ২৫ দিনের তেল মজুত রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। গ্যাসের দাম, তেলের দাম বাড়ার একটা আশঙ্কা মানুষ করছে। স্বাভাবিকভাবেই পেট্রলপাম্পগুলিতে ভিড় বাড়ছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল তোলা শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার একটা আতঙ্ক তৈরি করার চেষ্টা করেছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *