‘ওই দিনটা আর ফিরবে না...’, কেন এমন ‘হতাশ’ রানি মুখোপাধ্যায়? - Bengali News | 'I Can’t Recreate That Magic': Rani Mukerji’s Bold Confession About Her Iconic Roles - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘ওই দিনটা আর ফিরবে না…’, কেন এমন ‘হতাশ’ রানি মুখোপাধ্যায়? – Bengali News | ‘I Can’t Recreate That Magic’: Rani Mukerji’s Bold Confession About Her Iconic Roles

Spread the love

বলিউডের ‘রানি’ তিনি। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপোলি পর্দা শাসন করছেন। কিন্তু হঠাৎ কী হল? কেন সাফল্যের শিখরে দাঁড়িয়েও রানি মুখোপাধ্যায়ের গলায় ঝরে পড়ল একরাশ আক্ষেপ? ‘মর্দানি ৩’ আসার ঠিক আগে এক সাক্ষাৎকারে বোমা ফাটালেন অভিনেত্রী। সাফ জানালেন, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ কিংবা ‘ব্ল্যাক’-এর মতো সেই ম্যাজিক আর কোনওদিন তৈরি করা সম্ভব নয়। তবে কি খোদ রানির কাছেই আজকের বলিউডের চিত্রনাট্য ফিকে মনে হচ্ছে? নাকি নতুন প্রজন্মের নায়িকারা সেই উচ্চতা ছুঁতে পারছেন না?

সাক্ষাৎকারে রানির কথায় উঠে এসেছে তাঁর কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ছবি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর কথা। করণ জোহরের ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ যখন মুক্তি পায়, তখন টিনা ছিল টক অফ দ্য টাউন।। সেই সময়ের কথা মনে করে রানি জানান, “করণ যখন আমায় গল্পটা শুনিয়েছিলেন, তখনই ঘরের মধ্যে একটা অদ্ভুত জাদু অনুভব করেছিলাম। ওর সততা আর গল্পের বুনন আমাকে মুগ্ধ করেছিল।” ৩০ বছর পেরিয়েও টিনা যেভাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম জুড়ে জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে, তাতে রানি নিজেও অবাক।

সাথিয়া ছবিতে এক স্বাধীনচেতা মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রানি। তিনি মনে করেন, সেই সময় ছবিটি তরুণীদের খুব কাছের হয়ে উঠেছিল কারণ সেখানে ব্যক্তিগত জীবন এবং পেশাকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার লড়াই ছিল। আবার ‘হাম তুম’-এর রিয়া চরিত্রটি নিয়ে রানি জানান, এই ছবিটি বলিউডে নারীচরিত্রের সংজ্ঞা বদলে দিয়েছিল। রিয়ার বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নগুলো ছবির নায়ক সইফ আলি খানকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ জানাত, যা তৎকালীন বাণিজ্যিক ছবিতে খুব একটা দেখা যেত না।

তবে সব ছবির ভিড়ে সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘ব্ল্যাক’ রানির কাছে সবচেয়ে বেশি স্পেশাল। মিশেল ঢিলোঁর চরিত্রে তাঁর অভিনয় আজও দর্শকদের লোমহর্ষক লাগে। রানী অকপটে স্বীকার করেন, “আমি আর কখনও ওই জাদু নতুন করে তৈরি করতে পারব না।” বনশালি যখন তাঁকে এই চরিত্রটির প্রস্তাব দেন, রানি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি যে তিনি এটা করতে পারবেন। এই ছবিটি তাঁকে জীবন সম্পর্কে কৃতজ্ঞ হতে শিখিয়েছে বলে জানান অভিনেত্রী।

২০১২ সালের দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডের পর দেশজুড়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকেই জন্ম নিয়েছিল ‘মর্দানি’ ফ্র্যাঞ্চাইজি। রানি জানালেন, এই ছবিগুলো কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং সমাজের বাস্তব অপরাধগুলো তুলে ধরে সচেতনতা তৈরি করার জন্য। তাঁর মতে, ‘মর্দানি’ মানেই একটি বার্তা— ‘প্রতিটি জীবনের দাম আছে’।

কেরিয়ারের এই দীর্ঘ পথ চলায় রানি বারবার নিজেকে ভেঙেছেন এবং গড়েছেন। অতীতের সেই সোনালি দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে আজও বারবার নস্টালজিক হয়ে পড়লেন রানি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *