Crude Oil : ভারতের কাছে কত তেল মজুত? ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খুলল নয়া দিল্লি – Bengali News | India open 24 hours control room amid crude oil crisis due to west asia conflict
নয়া দিল্লি : মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে বন্ধ হরমুজ প্রণালী। বন্ধ তেল সরবরাহ। সেক্ষেত্রে,ভারতের ভান্ডারে আর কতদিনের তেল রয়েছে, সেই নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল। ইতিমধ্যেই সরকারের তরফে জানানো হয়েছে আর ২৫ দিনের তেল মজুত রয়েছে ভারতের ভান্ডারে। সেক্ষেত্রে বিকল্প উপায়ে তেল কেনার বিষয়ে কী ভাবছে দিল্লি, সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এই আবহে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খুলল নয়া দিল্লি।
কেন্দ্র সরকার সূত্রে খবর, ভারতে কত তেল সরবরাহ রয়েছে, তা মনিটর করার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এছাড়া কত তেল মজুত তেল, তাও মনিটর করা হবে বলে খবর। বিদেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে খবর, কন্ট্রোল রুমটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। এছাড়া, ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেও একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে কন্ট্রোল রুম। টোল-ফ্রি নম্বরও দেওয়া হয়েছে। এই নম্বরগুলি হল ১৮০০১১৮৭৯৭, ৯১-১১-২৩০১২১১৩, ৯১-১১-২৩০১৪১০৪, ৯১-১১-২৩০১৭৯০৫। বাহরাইন, ইরান, ইরাক, ইজরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী-সহ বিভিন্ন দেশের জন্য জরুরি দূতাবাসের যোগাযোগের তালিকাও দেওয়া হয়েছে।
ভারতের ভান্ডারে কত তেল রয়েছে, সেই বিষয়ে মঙ্গলবারই একটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ভারতের ভান্ডারে আর ২৫ দিনের অপরিশোধিত এবং পরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। এছাড়া, অপরিশোধিত তেল, এলপিজি এবং এলএনজি আমদানির জন্য বিকল্প পথ কী রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে নয়া দিল্লি। এদিকে, ইরানি হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ দু’টি অয়েল ফিল্ডে এলএনজি উৎপাদন বন্ধ রেখেছে কাতার। রান্নার গ্যাস-এর যোগানের জন্য ভারতকে সব থেকে বেশি নির্ভর করতে হয় সৌদি আরবের উপর। কিন্তু সৌদি আরবের এলপিজি পাইপ লাইনেও হামলা হয়েছে। নরওয়ে এবং আমেরিকার থেকেও অল্প পরিমাণ রান্নার গ্যাস কেনে ভারত। সেই পরিমাণ বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা চলছে।
সপ্তাহখানেক আগেও ভারতের ভান্ডারে ৭৪ দিনের তেল মজুত রয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। কিন্তু, এখন ২৫ দিনের তেল মজুত রয়েছে। সেক্ষেত্রে বড়সড় তেল সংকটে পড়তে চলেছে ভারত। কোনও বিকল্প উপায় কি রয়েছে ভারতের কাছে? ইতিমধ্যেই ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে রাশিয়া। পুতিনের দেশ জানিয়েছে, কোনও সমস্যা হলে ভারত তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত রয়েছে রাশিয়া। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুল্ক হুমকির পর থেকেই রাশিয়ার থেকে তেল আমদানি কমিয়েছিল ভারত। ফের যদি রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বাড়ায় ভারত, তাহলে ট্রাম্পের শুল্কবাণের মুখে পড়তে হতে পারে। সেক্ষেত্রে, নয়া দিল্লির পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সব মহল।