Firhad Hakim: যুদ্ধের আবহে স্ত্রী-মেয়ে-নাতনি মক্কা-মদিনায়, কতটা চিন্তায় ছিলেন ফিরহাদ? ফিরে জানালেন কন্য়া প্রিয়দর্শিনী – Bengali News | What does Firhad Hakim’s daughter Priyadarshini Hakim say after returning from Saudi Arabia?
কলকাতা: মক্কা-মদিনা গিয়ে যুদ্ধের জেরে বাড়ি ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী রুবি হাকিম, কন্যা প্রিয়দর্শিনী এবং নাতনির। অবশেষে সৌদি আরব থেকে কোনওরকমে দোল পূর্ণিমার সকালে বাড়ি ফিরলেন তাঁরা। কী পরিস্থিতি ছিল সেখানে? ফিরলেন কীভাবে? কতটা চিন্তিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম? টিভি৯ বাংলাকে জানালেন প্রিয়দর্শিনী হাকিম।
স্ত্রী, মেয়ে এবং নাতনি বাড়ি ফিরে আসায় এদিন স্বস্তি পেয়েছেন ফিরহাদ। তবে পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরবে আটকে থাকার সময় ফিরহাদ কতটা টেনশনে ছিলেন, বাড়ি ফিরে সেই কথা জানালেন প্রিয়দর্শিনী। টিভি৯ বাংলাকে তিনি বলেন, “আমার মা, আমি এবং আমার মা গিয়েছিলাম। মদিনা থেকে মক্কায় আসতে হত। তার আগেই হামলার ঘটনার খবর পেলাম। মক্কা-মদিনায় গিয়ে আমি এই নিয়ে খুব একটা চিন্তায় ছিলাম না। কিন্তু, বাড়িতে দুই বোন, বাবা রয়েছেন। বাবা আমাদের সবসময় আগলে রাখেন। হামলার ঘটনার পরই বাবা দিনে ৬-৭ ফোন করছেন। বলছেন, তোরা চলে আয়।”
ফেরার বিমান কীভাবে পেলেন জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, “মদিনা থেকে মক্কায় এলাম। আরও ২ দিন থাকার কথা ছিল। কিন্তু, আমরা খবর পেলাম, সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে মুম্বই একটা ফ্লাইট যাচ্ছে। যার টিকিটও পাওয়া যাচ্ছিল। আমরা ওই ফ্লাইটে চলে আসি। জেদ্দা বিমানবন্দরে এসে দেখি পুরো শুনশান। সব বিমান দাঁড়িয়ে রয়েছে। কোভিডের মতো পরিস্থিতি।”
ওই বিমান না পেলে কী আটকে থাকতে হত তাঁদের? ফিরহাদ-কন্যা বলেন, “বিমান না পেলে কী করব, সেটা ভাবার সময়ই পাইনি। আমার মায়ের মানসিক শক্তি খুবই বেশি। আমিও কিছু ভাবছিলাম না। কিন্তু, বাবা এত চিন্তা করছিলেন। বিমানে ওঠার পরও ফোন করে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, বিমানের দরজা বন্ধ করেছে। আমি বললাম, এখনও করেনি। তা শুনে বলেন, যদি এখন সবাইকে আবার নামিয়ে দেয়। আমি বাবাকে শান্ত থাকতে বলি। বাবা রাত ২-৩টে পর্যন্ত অ্যাপে দেখেছে, বিমানটা কোন রুট দিয়ে যাচ্ছে।” তাঁরা ফিরে আসায় কলকাতার মেয়র যে স্বস্তি পেয়েছেন, সেটা বুঝিয়ে দিলেন কন্যা প্রিয়দর্শিনী।