Purba Bardhaman: ভোটারদের নথি যাচাইয়ের দায়িত্বে ছিলেন, শেষে বাদ গেল মাইক্রো অবজার্ভারের নামই – Bengali News | A micro observer name deleted in final voter list in Purba Bardhaman
মাইক্রো অবজার্ভার রজত বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: TV9 Bangla
মেমারি: ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তাঁরই নাম বাদ পড়ল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে। নির্বাচন কমিশনের তরফে মাইক্রো অবজ়ার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বৈদ্যডাঙার বাসিন্দা রজত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কমিশনের নির্দেশে তিনি উলুবেড়িয়া পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রে সন্দেহভাজন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু এসআইআর পর্বের চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নামই ‘ডিলিটেড’।
রজত বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে তিনি ভারতীয় জীবনবিমা কর্পোরেশনের (এলআইসি) মালদহ ডিভিশনে ডেভেলপমেন্ট অফিসার পদে কর্মরত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, মেমারি বিধানসভার ১২৮ নম্বর বুথের ৩৪৩ নম্বরে থাকা তাঁর নাম ও ছবির উপর ‘ডিলিটেড’ শব্দ লেখা রয়েছে।
এই নিয়ে রজতবাবু বলেন, “আমাকে কমিশন সন্দেহজনক ভোটারের তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব দিয়েছিল। কাজের পুরস্কার হিসেবে আমাকেই তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিল। এর প্রভাব শুধু আমার জীবনে নয়, আমার পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের উপরেও পড়বে।” তিনি জানান, শুনানির সময় তিনি পাসপোর্ট ও কেন্দ্রীয় বিমা সংস্থার পরিচয়পত্র জমা দিয়েছেন। এমনকি অনলাইনে নিজের পাসপোর্টও আপলোড করেছিলেন। তবুও তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবনে রজতবাবুর লড়াইও কম নয়। মাত্র ছয় মাস বয়সে মাকে হারানোর পর তিনি মামার বাড়িতে বড় হয়েছেন। প্রোজোনি বা উত্তরাধিকার ভোটার হিসেবে তিনি দিদিমার নাম উল্লেখ করেছিলেন। তবে তাঁর সঙ্গে দিদিমার বয়সের ব্যবধান ৩৮ বছর হওয়ায় কমিশন তাঁকে শুনানিতে ডাকে বলে জানা যায়। এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত মাইক্রো অবজার্ভারের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।