INDvsWI : ধুরন্ধর, লেজার শোয়ের মাঝে জয়ের আশা ভারত ব্রিগেডের ! – Bengali News | India will face west indies in a must win match in kolkata tonight
কলকাতা : আইপিএলের সময় হোক বা ভারতের ম্যাচ, কলকাতার মাঠে খেলা হলেই কালোবাজারির মাত্রা যেন একধাপ বেড়ে যায়। এই বার যেমন, ৯০০র টিকিট ৩০০০। এই অনুপাতে হিসেবে রাখলেই বোঝা যাবে, এক একটি ধাপের টিকিটের দাম কিরকম হতে পারে। উন্মাদনা আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ রীতিমতো মহারণ ইডেনে। দুই দলই হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। ভারত ৭৬ রানে ধরাশায়ী হয়েও ৭২ রানে জিতেছে পরের ম্যাচ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। এরফলে এখন রান রেট নামক চিন্তা আর নেই ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের মাথায়। আজ দরকার স্রেফ জয়। জিতলেই বিশ্বকাপের শেষ চারে চলে যাবে ভারত। হারলেই বিশ্বকাপ থেকে ছুটি।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ধরাশায়ী হলেও রীতিমতো ভয় ধরানো ব্যাটিং লাইন আপ ওয়েস্ট ইন্ডিজের। শেই হোপ, শিমরন হেটমায়ার, রোভম্যান পাওয়েল, রোমারিও শেফার্ড – একের পর এক পাওয়ার হিটার ক্যারিবিয়ান দলে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একসময় ৬০/৬ হয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকেও ১৭৬ রান ছুঁয়েছে ক্যারিবিয়ান স্কোর কার্ড। ভারতের ব্যাটিংও তুখোড় ফর্মে। রানে ফিরেছেন অভিষেক থেকে তিলক, হার্দিক থেকে সঞ্জু। ২৫৬/৪ তুলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে ভারত সর্বোচ্চ স্কোর তুলল জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। অর্ধশতরান করেছেন অভিষেক শর্মা। ১৬ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিলক ভার্মা।
স্পিনারের বিরুদ্ধে দুর্বল ভারতীয় ব্যাটিং। সেক্ষেত্রে ঘাতক হতে পারেন মোটি, চেজরা। উল্টোদিকে, বরুণ চক্রবর্তীর ফর্ম পড়ন্ত। সুপার এইটের দুই ম্যাচে প্রায় ৮০ রান দিয়েছেন তিনি। অতিরিক্ত বুমরা নির্ভর ভারতীয় দল। বুমরা উইকেট না পেলে চাপ বেড়ে যায়। ফল, দুর্বল জিম্বাবোয়েকে পেয়েও অল আউট করতে পারেনি ভারতীয় বোলিং লাইন আপ। আজ সুখের কারণ হবে পিচও। চিপকের মতো ইডেনের পিচও ব্যাটিং সহায়ক হবে। বল ঘুরবে। উইকেটে ভাল বাউন্স থাকবে। সন্ধ্যের পর থেকেই শিশির পড়া শুরু হচ্ছে। আজকের ম্যাচ নিয়ে প্রবীণ পিচ কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায় বললেন,”টসে জিতলে রান তাড়া করা ভাল।”
আজ দর্শকদের বিনোদনের জন্য থাকছে ‘লেজার শো’। পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানানো হবে সূর্যকুমার যাদবকে। মাঠে বাজবে ধুরন্ধর সিনেমার গান। তবে আজ যদি ভারত হেরে যায়, তাহলে এত আনন্দ, আয়োজন সবই বৃথা হয়ে যাবে। ১০ বছর আগের বদলা আজ নিতেই চাইবেন গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদবরা।