Abhishek Banerjee on SIR: মহিলা-সংখ্যালঘু-জনজাতিদের টার্গেট করে বাদ? জেলা ধরে হিসাব অভিষেকের - Bengali News | Abhishek Alleges Targeted Deletions of Women, Minorities and Tribal Voters, Presents District Wise Data - 24 Ghanta Bangla News
Home

Abhishek Banerjee on SIR: মহিলা-সংখ্যালঘু-জনজাতিদের টার্গেট করে বাদ? জেলা ধরে হিসাব অভিষেকের – Bengali News | Abhishek Alleges Targeted Deletions of Women, Minorities and Tribal Voters, Presents District Wise Data

Spread the love

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: নিজস্ব চিত্র

কলকাতা: বাংলার এসআইআর-এর শুরুতে তৃণমূলের অভিযোগের অভিমুখ ছিল, বিজেপি টার্গেট করে নাম বাদ দেওয়াবে। কিন্তু এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকার আংশিক প্রকাশ হতে বদলে গেল অভিযোগের অভিমুখ। নাম বাদের সংশয় কাটছে না, তবে এবার সরাসরি নাম বাদ নয়, বরং বিচারাধীন ট্য়াগ হবে তার মাধ্যম, এমনটাই মনে করছে তৃণমূল। রবিবার তৃণমূল ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠক থেকেও তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিষেক। বিধানসভা ভিত্তিক একটি পরিসংখ্য়ানও তুলে ধরেছেন তিনি।

রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা তাৎপর্যপূর্ণ হলেও অভিষেকের নজরে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মালদহ ও মুর্শিদাবাদ। সেখানে ৪০ শতাংশ ও ২০ শতাংশ ভোটার বিচারাধীন রয়েছে বলে দাবি তাঁর। পাশাপাশি, একটি পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন অভিষেক। তিনি জানান —

  • মালদহের রতুয়ায় বিজেপি শেষ নির্বাচনে ভোট পেয়েছি ৫৭ হাজার। সেই এলাকাতেই বিচারাধীন ১ লক্ষ ৪ হাজার।
  • মালতিপুরে ভোট পেয়েছিল ৩৬ হাজার ১৫৬টি। বিচারাধীন ভোটার রয়েছেন ৯৪ হাজার ৩৭ জন।
  • হরিশচন্দ্রপুরে ভোট পেয়েছিল ৪৯ হাজার, বিচারাধীন হয়েছেন ৯১ হাজার ভোটার।
  • মোথাবাড়িতে বিজেপি ভোট পেয়েছিল ৪৩ হাজার। এসআইআর-এ বিচারাধীন রয়েছেন ৮০ হাজার।

একই ভাবে মুর্শিদাবাদের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি। অভিষেক জানান —

  • রঘুনাথগঞ্জে বিজেপি ভোট পেয়েছিল ২৭ হাজার। বিচারাধীন হয়েছেন ১ লক্ষ ১৫ হাজার ভোটার।
  • ভগবানগোলায় বিজেপি ভোট পেয়েছিল ১৮ হাজার ৪৯০টি। বিচারাধীন হয়েছেন ১ লক্ষ ১০ হাজার ভোটার।

এছাড়াও সামশেরগঞ্জে বিচারাধীন রয়েছেন ১ লক্ষ ৮ হাজার, সুতিতে বিচারাধীন ১ লক্ষ ৯ হাজার এবং লালগোলায় ১ লক্ষ। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের দাবি, “প্রতিটি বিধানসভায় গড়ে ২ লক্ষ ভোটার থাকে, কমিশন ১ লক্ষ থেকে দেড় লক্ষকে বিচারাধীন করেছে। মহিলাদের নাম বেছে বেছে বাদ দেওয়া হচ্ছে। সংখ্যালঘু, এসটিদের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *