হবু বরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ে কেন কাঁপতেন রশ্মিকা? – Bengali News | Rashmika Mandanna and Vijay Deverakonda Wedding: Why was the Actress Scared of Him?
বিজয়কে দেখলেই রীতিমতো ‘ভয়’ পেতেন অভিনেত্রী?Image Credit: facebook
সাতপাকে বাঁধা পড়লেন বিজয়-রশ্মিকা,রাজকীয় ভাবে দুই দফায় তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। শাশুড়ির দেওয়া শাড়ি পড়েছেন রশ্মিকা। গুঞ্জন ছিল অনেক দিনের। কখনও জল্পনা, কখনও বা লুকোচুরি— অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজকীয় ঢঙে চার হাত এক হয়েছে বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মান্দানার। উদয়পুরের বিলাসবহুল প্রাসাদে বসেছে চাঁদের হাট। কড়া নিরাপত্তার মাঝে একে অপরের হাত ধরলেন দক্ষিণ ভারতের এই দুই মেগাস্টার। কিন্তু জানেন কি, আজ যাঁকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেন রশ্মিকা, এক সময় সেই বিজয়কে দেখলেই রীতিমতো ‘ভয়’ পেতেন অভিনেত্রী?
হ্যাঁ, খোদ ‘পুষ্পা’ গার্লই ফাঁস করেছিলেন এই গোপন কথা। সালটা ২০১৭, ‘গীতা গোবিন্দম’ ছবির শুটিং সেটে প্রথম আলাপ এই তারকা জুটির। তখন বিজয় মানেই ‘অর্জুন রেড্ডি’র সেই রাগী ইমেজ, গোটা দেশে তাঁর ক্রেজ তুঙ্গে। অন্যদিকে রশ্মিকা তখন ইন্ডাস্ট্রিতে একেবারেই নতুন। এক পুরনো সাক্ষাৎকারে রশ্মিকা জানিয়েছিলেন, অচেনা মানুষের সঙ্গে কথা বলতে তাঁর বরাবরই একটু জড়তা কাজ করে। সেখানে বিজয়ের মতো একজন বড় তারকার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি রীতিমতো ভয়ে ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। তাঁর মনে হয়েছিল বিজয় হয়তো খুব গম্ভীর বা রাগী হবেন।
তবে প্রথম দিনের সেই ভয় ভাঙতে সময় লাগেনি। রশ্মিকা জানান, বিজয় মানুষ হিসেবে ভীষণ ‘চিল’। কাজ করতে করতে সেই জড়তা কেটে বন্ধুত্বে রূপ নেয়। এমনকী ছবির ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিংয়ের সময়ও নাকি দুজনে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ছিলেন। অভিনেত্রীর কথায়, “আমার কাছে চুম্বনের মতো দৃশ্যগুলো খুব ব্যক্তিগত। সেটে শয়ে শয়ে মানুষের সামনে যখন এমন শট দিতে হয়, তখন খুব ভয় লাগছিল। কিন্তু পরে বুঝলাম, বিজয়ও আমার মতোই একইরকম অস্বস্তিতে ছিল।” এই মানসিক মিলই বোধহয় তাঁদের একে অপরের কাছাকাছি নিয়ে আসে।
২০১৮-র ‘গীতা গোবিন্দম’ ছিল বক্স অফিসে সুপারহিট। ৫ কোটির ছবি ব্যবসা করেছিল ১৩০ কোটির ওপর। এরপর ‘ডিয়ার কমরেড’ ছবিতেও তাঁদের কেমিস্ট্রি দর্শকদের মন জয় করে নেয়। পর্দার সেই প্রেমই যে ২০২৬-এর ২৬ ফেব্রুয়ারি বাস্তবে পরিণতি পাবে, তা কে জানত! বিয়ের জন্য এক মাসের লম্বা বিরতি নিয়েছেন নবদম্পতি। আপাতত উদয়পুরের রোম্যান্টিক আবহে বিশেষ দিন কাটাচ্ছেন, মিস্টার ও মিসেস দেবেরাকোন্ডা।