Laxmir Bhandar: ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারে দিদি আগে ১০০০ টাকা দিতেন, এখন দেড় হাজার, তাই BJP ছেড়ে তৃণমূলে গেলাম’, দলবদলের আসল ‘কারণ’ নিজেই বললেন পঞ্চায়েত প্রধান – Bengali News | Some woman join in BJP and left tmc for laxmir bhandar in Purba Medinipur
পূর্ব মেদিনীপুর: নজরে ময়না। বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই যেন রাজনৈতিক পারদ চড়ছে সর্বত্র। তবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জেলায় শক্তি কমল বিজেপি-র। বিধায়ক অশোক দিন্দার বিধানসভা ময়নায় গ্রাম-পঞ্চায়েত হাতছাড়া হল বিজেপি-র। রবিবার পঞ্চায়েত প্রধান সহ প্রায় শতাধিক কর্মী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করতেই কার্যত শক্তি ক্ষয় হল গেরুয়া শিবিরের। আর যোগদান করেই মহিলা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা। সঙ্গে তুললেন লক্ষ্মীর ভান্ডারের প্রসঙ্গও।
কী ঘটেছে?
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না ব্লকের গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি দখলে ছিল বিজেপির পঞ্চায়েত সংখ্যা ছিল ১০ এবং তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ছিল ৭। রবিবারের সন্ধ্যায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন গোজিনার প্রধান খুকু রানি মণ্ডল ও পঞ্চায়েত সদস্যা কাকলি চৌধুরী। এরপরই ঘুরে যায় রাজনীতির সমীকরণ। তবে শুধু পঞ্চায়ে তৃণমূলের দখলে এলো গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত এছাড়াও প্রায় শতাধিক কমীও নেতৃত্ব বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন এই দিন। যদিও, এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কেউ কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
ময়নার রঙ গেরুয়া থেকে সবুজ…
দলবদলের লম্ফঝম্প শুরু হয়েছে ভোটের ঠিক আগে-আগে। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার দাপুটে বিজেপি নেতা চন্দন মণ্ডলতে দলে টেনে চমক দিয়েছিল তৃণমূল। ‘রং’ বদলানোর সময় চন্দনবাবু ময়নার বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দার উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। যদিও, এক-দু’দিন কাটতে না কাটতে ফের যোগদান করলেন ময়নার প্রাক্তন বিধায়ক সংগ্রাম দলুই আবার যোগ দেন পদ্ম শিবিরে। অপরদিকে, ময়নার আরও এক নেতা অলোক বেরাও যোগদান করেছিলেন পদ্মে। এই দলবদলের ঝাঁপাঝাপির মধ্যেই দেখা গেল গতকাল একদম পঞ্চায়েতের প্রধান বিজেপি ছেড়ে যোগ দিলেন তৃণমূলে। আর যোগদানের পর নিজের মুখেই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তিনি। ফলে তৃণমূলের শক্তি বাড়াতে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্প অনেকাংশেই সাহায্য করল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।
খুকুরানি বলেন, “২০২৩ সালে আমি বিজেপিতে গিয়েছিলাম। প্রধান হয়েছিলাম। পদে ছিলাম জনগণের উন্নয়নের জন্য। কিন্তু এখন উন্নয়ন করতে পারছি না কারণ কেন্দ্র সব প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছে। আমাদের দিদি মমতার নেতৃত্বে উন্নয়ন হচ্ছে। তারপর লক্ষ্মীর ভান্ডারে আগে ১০০০ টাকা করে দিদি দিতেন। এখন দেড় হাজার টাকা। তাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে গেলাম।”