Micro observer: এখনই নিয়োগ হবে না, মাইক্রো-অবজারভারদের ‘ঠিকুজি-কুষ্ঠি’ চাইল কমিশন – Bengali News | The Election commission will scrutinize the list of 8,505 people for now
কলকাতা: শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরেও মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ নিয়ে ধোঁয়াশা বাড়ছে। ৮,৫০৫ জনের তালিকা আপাতত স্ক্রুটিনি করবে কমিশন। তারপর তাঁদের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। আপাতত তাঁদের বায়োডাটা চাওয়া হয়েছে রাজ্যের কাছে। ফলে, এদের মধ্যে কতজনকে কমিশন কবে নিয়োগ করবে সেটা স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে, গ্রুপ বি-এর তালিকা পাঠালেও তালিকায় অন্যান্য গ্রুপের অফিসার আছেন। রাজ্য সরকারের কাছে জানতে হবে এরা গ্রুপ বি (Group B) কি না। আবার এদের মধ্যে অনেকে AERO হিসেবে কাজ করছেন। তাঁকে কীভাবে মাইক্রো অবসার্ভার নিযুক্ত করা যাবে? এছাড়াও টাইপিস্ট, ইঞ্জিনিয়র আছেন। এ দিন, এই সমস্ত বিষয় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে রাজ্য প্রশাসনকে চিঠি লিখে জানতে চাওয়া হয়েছে এদের বায়োডাটা সম্পর্কে। এমনকী, তাঁদের সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্যও চাওয়া হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। তবে কমিশনের বক্তব্য, আদালতেও কি আদৌ এই তালিকা দেওয়া হয়েছে? রাজ্যের উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত আপাতত কোনও ভাবে কাউকে নিয়োগ নয়। ফলত কবে নিয়োগ হবে সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
এখানে উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সুপ্রিম কোর্টে এই ইস্যুতে সওয়াল করে এসেছেন। অন্য রাজ্যে না হলেও, পশ্চিমবঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক মাইক্রো অবজারভার কেন নিয়োগ করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আর এবার সেই মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা নিয়েই বিশেষ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট বলেন, কমিশনের আইনজীবী ইআরও(ERO)-র ক্ষেত্রে ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁরা কমপিটেন্ট অফিসার দিলে এই সমস্যা থাকবে না।’ মাইক্রো অবজারভারদের যে অতি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, সেই প্রসঙ্গে কিছু স্ক্রিনশট এদিন তুলে ধরছেন তিনি। একটা এক্সট্রা ইলেকশন অথরিটি তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন।