Hair Fall Solution: চুল নয়, পড়ছে আত্মবিশ্বাস? ট্যাঁকের কড়ি বাঁচিয়েই হবে টাকের সমাধান – Bengali News | Know the Deshi Way to Reduce Hair Fall, Certified by Patanjali
নয়াদিল্লি: মেঘবরণ চুল না থাক, অন্তত এক মাথা ঘন চুল তো প্রতিটি মানুষই আশা করেন। বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে, ২৫-র গন্ডিতে পা মানেই শুরু হয়ে গেল মাথার উপর হালকা হওয়া। এমন জায়গা ফাঁকা হবে যে তা মোটেই মানানসই হবে না। মাথাজোড়া এমন টাক কারই বা পছন্দের? কিন্তু যুগের পর যুগ এগোলেও চুল পড়ার সমস্য়ার স্থায়ী সমাধান যেন আজও অধরা। স্থায়ী সমাধান নেই, এটা ঠিক কিন্তু রয়েছে পরিস্থিতি একটা বড় বয়স পর্যন্ত সামাল দেওয়ার উপায়।
অবশ্য় তার আগে জানতে হবে চুল কেন পড়ে। পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা রামদেবের মতে, যদি কারও চুল অল্প বয়স থেকেই দ্রুত পড়া শুরু হয়ে যায়, তা হলে সেক্ষেত্রে মূল কারণ খাদ্যভাস ও জীবনযাত্রা। মানসিক চাপও একটা বড় ফ্যাক্টর। দিনে ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক, কিন্তু যদি এর বেশি হয়, তা হলে তা একটি গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
এই চুল পড়া তিনটি পর্যায়ের মধ্য়ে দিয়ে যায়। প্রথম, অ্যানাজেন, যা ২ থেকে ৭ বছর স্থায়ী হয়। দ্বিতীয়, স্টপিং ফেজ, যাকে ক্যাটাজেন বলা হয়, যা ২ থেকে ৩ সপ্তাহ স্থায়ী হয়। শেষ পর্যায়টি হল টেলোজেন, যেখানে চুল পড়ে যায় এবং এর সময়কাল ২ থেকে ৩ মাস। অতিরিক্ত চুল পড়া হল টেলোজেন ফেজ। এ তো গেল সমস্যা। এবার প্রশ্ন, এই চুল পড়া থেকে বাঁচার উপায় কী?
রামদেবের পরামর্শ অনুযায়ী, চুল স্বাভাবিক রাখতে ঘষতে হবে নখ। তাঁর মতে, আয়রনের ঘাটতি চুলকে দুর্বল করে দিতে পারে এবং চুল পড়ার কারণ হতে পারে। এছাড়াও যে কোনও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতিও চুল পড়ার কারণ হতে পারে। তাই চুল পড়া রুখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লাউয়ের রস খাওয়া উচিত। এছাড়াও ওই রসেই আমলকি যোগ করলে চুল নতুন করে গজানোর ক্ষেত্রে দ্বিগুণ উপকার হয়।
রামদেব আরও বলেন, প্রতিদিন সকালে লাউ এবং আমলকির রস পান করতে হবে। সঙ্গে ধনে পাতা, পুদিনা পাতা এবং লেবুর রসও যোগ করা যেতে পারে। লেবুতে ভিটামিন সি থাকে, যা দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তবে যাদের অ্যাসিডিটি রয়েছে তারা লেবু এড়িয়ে গেলেও কোনও সমস্যা নেই। সেক্ষেত্রে ওই রসে আমলকি দেওয়া যেতে পারে, যা চুলের জন্য খুব উপকারী বলে মনে করা হয়।