Prashant Barman: দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে চার্জশিটে নাম নেই 'দাবাং' প্রশান্ত বর্মণের - Bengali News | Prashant Barman's name not in charge sheet in gold shop owner's murder case in Salt Lake - 24 Ghanta Bangla News
Home

Prashant Barman: দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে চার্জশিটে নাম নেই ‘দাবাং’ প্রশান্ত বর্মণের – Bengali News | Prashant Barman’s name not in charge sheet in gold shop owner’s murder case in Salt Lake

এখন কোথায় প্রশান্ত বর্মণ?Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও অমান্য করেছেন তিনি। আত্মসমর্পণ না করে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছেন। এরই মধ্যে স্বস্তির খবর রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মণের জন্য। দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মূল অভিযুক্ত হওয়ার পরও পুলিশের চার্জশিটে তাঁর নাম নেই। স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্য়া খুনের বিধাননগর আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। আর সেই চার্জশিটেই প্রশান্ত বর্মণের নাম না থাকা নিয়ে শোরগোল পড়েছে।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর নিউটাউন থানার যাত্রাগাছির খালধার থেকে স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। ৯০ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা পড়ল। সেই চার্জশিটে পাঁচজনের নাম উল্লেখ রয়েছে। তুফান থাপা, রাজু ঢালি, সজল সরকার, গোবিন্দ সরকার এবং বিবেকানন্দ সরকার। কোন অদৃশ্য ক্ষমতাবলে চার্জশিটে প্রশান্ত বর্মণের নাম রইল না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে তদন্তকারীরা জানিয়েছে, পরে অতিরিক্ত চার্জশিটে প্রশান্ত বর্মণের নাম যোগ করা যেতে পারে। কিংবা প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে আলাদা করে চার্জশিট দেওয়াও যেতে পারে।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। পরদিন তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই খুনের ঘটনায় রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রধান অভিযুক্ত বলে মৃতের পরিবারের অভিযোগ। ওই খুনের ঘটনায় একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলেও অধরা প্রশান্ত বর্মণ। তিনি গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভও উগরে দিয়েছে মৃতের পরিবার।

ওই খুনের ঘটনায় বারাসত ও বিধাননগর মহকুমা আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মণ। সেই আগাম জামিনের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিধাননগর পুলিশ। হাইকোর্ট আগাম জামিনের নির্দেশ খারিজ করে দেয়। এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য গত ২২ ডিসেম্বর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও আদালতে আত্মসমর্পণ করেননি ‘দাবাং’ প্রশান্ত বর্মণ। তিনি ‘ফেরার’ হয়ে যান। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে বিধাননগর আদালত।

ওই ‘ফেরার’ থাকা অবস্থাতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রশান্ত বর্মণ। গত ১৯ জানুয়ারি দেশের শীর্ষ আদালতে ধাক্কা খান তিনি। বিচারপতি রাজেশ বিন্দল এবং বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের বেঞ্চ ২৩ জানুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় তাঁকে। এরই মধ্যে রাজগঞ্জে নতুন বিডিও নিয়োগ করে প্রশাসন। সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও আদালতে আত্মসমর্পণ করেননি প্রশান্ত বর্মণ। এখনও তাঁকে খুঁজে পায়নি পুলিশ। এসবের মধ্যে চার্জশিটে তাঁর নাম না থাকা নিয়ে ফের জল্পনা বেড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *