Dhakuria: গুলি, বোমাবাজি; এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ঢাকুরিয়া – Bengali News | Chaos in Dhakuria after firing and bombing
গুলির খোল পড়ে রয়েছে এলাকায়। ঘটনাস্থলে তৃণমূল কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় (ডানদিকে) Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: গুলশন কলোনির ছায়া এবার ঢাকুরিয়ায়। এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে রবিবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড। বোমাবাজি করা হয়। গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ। একাধিকজন আহত হয়েছেন। সোনা পাপ্পু নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর অনুগামীরা এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর চৈতালি চট্টোপাধ্যায় ও পাশের ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে এলাকা দখলের লড়াইকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল আনন্দপুর থানার গুলশন কলোনি। ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডের বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখানেও এলাকা দখলের চেষ্টা করছেন সোনা পাপ্পুর লোকজন। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শাসকদলের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এদিন রাতে আচমকা ৩৫-৪০ জন এলাকায় হামলা চালায়। বোমাবাজি করে। গুলি চালায়। চপার নিয়েও হামলা চালায়। বোমাবাজিতে বেশ কয়েকজন জখম হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসেন ডিসি ভোলানাথ পাণ্ডে। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের প্রত্যেক বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।”
এই ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চৈতালি চট্টোপাধ্যায়। তাঁর স্বামী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় পাশের ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তাঁরা দু’জনেই ঘটনাস্থলে আসেন। বৈশ্বানরকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় মহিলারা।
তৃণমূল কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়
ঘটনাটি নিয়ে বৈশ্বানর বলেন, “এলাকা দখলের কোনও ব্যাপার নেই। এটা সিপিএমের আমল নয়। এটা তৃণমূলের আমল। প্রশাসন পুরো বিষয়টি দেখছে। যারা এটা (হামলা) করেছে, পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।”
আর ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চৈতালি চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এখানে গুলি চালিয়েছে। গণেশ পুজোর সময় হয়েছিল, তখন পুলিশকে জানিয়েছিলাম। তারপর আর কিছু হয়নি। আমাদের এখানে কিছু হয় না। কেন গন্ডগোল, তা পুলিশকে দেখতে বলেছি।”
এই নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। তিনি বলেন, “সোনা পাপ্পু তৃণমূল কাউন্সিলরের যেন আপন ভাই। ওই ওয়ার্ড বৌদির ওয়ার্ড। ফলে দাদা ভাগ পাবেন না বৌদি ভাগ পাবেন, তা নিয়েই গন্ডগোল।”