Bankura: মাথা পিছু ১২ হাজার টাকা দিতে পারেননি, আবাসের তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ - Bengali News | Unable to pay 12,000 taka per head, accused of being excluded from the housing list - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bankura: মাথা পিছু ১২ হাজার টাকা দিতে পারেননি, আবাসের তালিকা থেকে বাদ পড়ার অভিযোগ – Bengali News | Unable to pay 12,000 taka per head, accused of being excluded from the housing list

Spread the love

বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন গ্রামবাসীরাImage Credit: TV9 Bangla

বাঁকুড়া:  পঞ্চায়েত প্রধানের দাবি মতো মাথা পিছু ১২ হাজার দিতে পারেননি। তাই আবাস প্রকল্পের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে একের পর এক গ্রামবাসীর নাম। এই অভিযোগ তুলে পঞ্চায়েতে আছড়ে পড়ল স্থানীয় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ। বাঁকুড়ার শালতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে শোরগোল। গ্রামবাসীদের দাবি, একের পর এক গ্রামবাসীর নাম বাদ পড়লেও ওই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে নির্মীয়মান দোতলা বাড়ির মালিল খোদ পঞ্চায়েত প্রধানের নাম। অভিযোগ উড়িয়ে প্রধানের দাবি সবই বিজেপির চক্রান্ত।

সম্প্রতি বাংলার বাড়ি প্রকল্পে উপভোক্তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে রাজ্যের সরকার। বাঁকুড়ার তালডাংরা ব্লকের শালতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে সেই তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েছে ওই পঞ্চায়েতের কাশিডাঙা বুথের ১১ জন উপভোক্তার। অন্যদিকে সেই তালিকায় জ্বলজ্বল করছে নির্মীয়মান দোতলা বাড়ির মালিক খোদ পঞ্চায়েত প্রধান মৌসুমী ঠাকুরের নাম। আর এতেই ক্ষেপে ওঠেন বাদ পড়া উপভোক্তা বাসিন্দারা। ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা গ্রাম পঞ্চায়েতে চড়াও হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

বাদ পড়া উপভোক্তাদের দাবি, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রথম দফার তালিকায় তাঁদের বুথের ১১ জন উপভোক্তার নাম ছিল। তৃণমূল পরিচালিত স্থানীয় শালতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রত্যেকের কাছে ১২ হাজার টাকা দাবি করেন। পঞ্চায়েত প্রধানের দাবিমতো ১২ হাজার টাকা করে না দেওয়াতেই পরবর্তীতে চূড়ান্ত তালিকায় তাঁদের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাদ পড়া উপভোক্তাদের বিক্ষোভের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোরগোল শুরু হয়। বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের আরও দাবি, নির্মীয়মান দোতলা পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে খোদ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের নাম রয়েছে।

অভিযোগ উড়িয়ে ওই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের দাবি, তাঁর নিজস্ব বাড়ি নেই, ভাড়া বাড়িতে তিনি বসবাস করেন। তাই তাঁর নাম স্বাভাবিক নিয়মেই তালিকায় রয়েছে। অন্যদিকে কাশিডাঙা বুথের যে ১১ জনের নাম বাদ পড়েছে তাঁদের সকলেরই পাকা বাড়ি থাকায় চূড়ান্ত সমীক্ষায় তাঁদের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি পঞ্চায়েত প্রধানের । উপভোক্তাদের কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করে পঞ্চায়েত প্রধানের দাবি সবই বিজেপির চক্রান্ত ।

এদিকে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মৌসুমী ঠাকুর যে বাড়িতে ভাড়া থাকেন সেই বাড়ির মালিক জানিয়েছেন নিজস্ব জায়গায় না হলেও গত এক বছর আগে থেকে এক আত্মীয়ের জায়গায় পঞ্চায়েত প্রধান মৌসুমী ঠাকুরের নিজস্ব দোতলা পাকা বাড়ি তৈরি করার কাজ চলছে। এখানেই প্রশ্ন উঠছে যেখানে পঞ্চায়েত প্রধানের নিজস্ব পাকা দোতলা বাড়ি তৈরি হচ্ছে সেখানে কীভাবে তাঁর নাম বাংলার বাড়ি প্রকল্পের চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পেল? কীভাবেই বা পাকা বাড়ি না থাকা ১১ জন গ্রামবাসীর নাম বাংলার বাড়ি প্রকল্পের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়ে গেল?

শালতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মৌসুমী ঠাকুর অবশ্য বলেন, “এটা সম্পূর্ণ বিরোধীদের অপপ্রচার। এটা একেবারেই সত্য নয়। যাঁদের নাম রয়েছে, সুপার চেকিং করে দেখা যায়, তাঁদের প্রত্যেকের পাকা বাড়ি রয়েছে, তাই নাম বাদ গিয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *