Anandapur Fire: গোডাউন কিংবা মোমো কারখানায় নয়, রাক্ষুসে আগুন ঠিক কোথা থেকে লাগল, কীভাবে প্রাণ গেল এত মানুষের, রিপোর্টে সামনে এল সত্যিটা - Bengali News | Anandapur Fire: Where exactly did the huge fire start, not in a godown or a momo factory? Report - 24 Ghanta Bangla News
Home

Anandapur Fire: গোডাউন কিংবা মোমো কারখানায় নয়, রাক্ষুসে আগুন ঠিক কোথা থেকে লাগল, কীভাবে প্রাণ গেল এত মানুষের, রিপোর্টে সামনে এল সত্যিটা – Bengali News | Anandapur Fire: Where exactly did the huge fire start, not in a godown or a momo factory? Report

Spread the love

আনন্দপুরের ভয়াবহ আগুনImage Credit: Tv9 Bangla

কলকাতা: রবিবার রাত ১ টার কিছু পরে আগুন লাগে। মঙ্গলবার বেলা পর্যন্তও ধিক ধিক করে জ্বলেছে আগুন। ছাইয়ের মাঝে মিশে মানুষের হাড়ের গুড়ো। ভিতর থেকে তিনটি পোড়া শরীর-সহ ৮ টি দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। দুটো বস্তায় ভরে সেসব গিয়েছে কাটাপুকুর মর্গে। এখনও নিখোঁজ অন্ততপক্ষে ২৫! কিন্তু এসবের পরও জানা যাচ্ছিল না আনন্দপুরের আগুন লাগার কারণ বা তার উৎস। ওই এলাকায় পর পর দুটি গোডাউন ছিল, একটি মোমোর, আরেকটি ডেকরেটর্সের। ডেকরেটর্স মালিক গঙ্গাধর দাস প্রথম থেকেই দাবি করছিলেন, আগুন লেগেছে মোমোর গোডাউনেই। কিন্তু এবার সামনে এল আসল কারণ। কীভাবে আগুন লাগল, তা প্রমাণ পেলেন আধিকারিকরা।

প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, মোমো গুদাম নয়, প্রথম আগুন লাগে ডেকরেটর্সের গুদামে। দমকল ও ফরেন্সিক থেকে প্রাথমিক রিপোর্ট ইতিমধ্যেই এসেছে পুলিশের হাতে। ডেকরেটর্সের গুদামের পশ্চিম দিকে তিন তলা বিল্ডিংয়ের অংশ থেকে আগুন লেগে তা মুহূর্তের মধ্যেই গ্রাস করে নেয় গোটা গুদাম ও মোমো গুদামকে।

ধৃত গোডাউন মালিক গঙ্গাধরের ‘দখলে’ ছিল ৩৫ হাজার বর্গফুট জায়গা। এর মধ্যে ১১ হাজার বর্গফুট জায়গা মোমো কোম্পানিকে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। গঙ্গাধরের বক্তব্য ছিল, মোমো কারখানায় অবৈধভাবে Co2 দিয়ে কোল্ড ড্রিঙ্কস বানানো হত, তা থেকেই আগুন লেগেছে। কিন্তু দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে ফরেন্সিক রিপোর্টে। গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না, সেই বিষয়টি আগেই পরিষ্কার করেছে দমকল আধিকারিকরা। সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় গঙ্গাধরকে। তিন দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর এবার পরিষ্কার হল আগুন লাগার কারণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *