Twaha Siddiqui: ‘ভোটের আগে জামাইবাবু হয়ে যাই, আর ভোট ফুরোলেই শালা’, বিস্ফোরক ত্বহা – Bengali News | Pirzada of Furfura Sharif expresses anger after SIR hearing in Hooghly
হুগলি: এসআইআরের শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ত্বহা সিদ্দিকীও। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদার দাবি, তিনি নথিপত্র জমা দেওয়ায় সে সব দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন অফিসাররা। তবে যে হয়রানি পোহাতে হচ্ছে, তার জবাব যে ভোটে মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন ত্বহা। তবে জবাব কে পাবে বিজেপি না তৃণমূল? সেই উত্তর দেননি পীরজাদা।
শুনানির নোটিস পেয়ে আজ, মঙ্গলবার হাজির হয়েছিলেন ত্বহা সিদ্দিকী। পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে এদিন ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বলেন, “এসআইআরের নাম করে সাধরণ মানুষকে হয়রান করা হচ্ছে আর রাজনৈতিক দলগুলি লুকোচুরি খেলছে। এরা সব চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। একজন সাপ হয়ে কামড়াচ্ছে আর একজন ওঝা হয়ে ঝাড়ছে।”
পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষও জানেন, তারপরও তাঁকে ডাকা হল। তিনি স্পষ্ট বলেন, “বিজেপি, তৃণমূল আমাদের সঙ্গে কী করছে মানুষ বুঝতে পারছে। মুসলিমদের নোটিস পাঠানো হচ্ছে, কারণ বিজেপি ভাবে মুসলিমরা বিজেপিকে ভোট দেয় না। আসলে আমরা তৃণমল, সিপিএম কাউকেই ভোট দিই না। যারা উন্নয়ন করে তাদের পক্ষে থাকি।” ত্বহা আরও বলেন, “ভোটের সময় আমরা রাজনৈতিক নেতাদের জামাইবাবু হয়ে যাই, আর ভোট হয়ে গেলে শালা হয়ে যাই। ২৬ এর ভোটে মানুষ বুঝে নেবে।”
শুনানিতে কোনও অসুবিধা হয়নি বলে দাবি করেছেন ত্বহা। তিনি বলেন, “লিগাল মাল আছি, তাই বুক ফুলিয়ে শুনানিতে এসেছি। আমি শুনানিতে কাগজ পত্র দেখলাম আধিকারিকরা শুধু মুচকি হেসেছে আর কিছু জিজ্ঞাসা করেননি। ওরাও তো সমস্যায় আছে। সব প্ল্যান ভেস্তে যাবে।”