সোহেল-সীমার বিচ্ছেদে বড় ভুমিকা সলমনের! জানালেন সীমা – Bengali News | Seema sajdeh opens up about divorce with sohail khan says salman khan stood by her
খুব কম তারকাই আলো ঝলমলে দুনিয়ার আড়ালে লুকিয়ে থাকা নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনের লড়াইয়ের গল্প প্রকাশ্যে আনেন। তবে এবার নিজের জীবনের কঠিন অধ্যায় নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন সীমা সাজদেহ। অভিনেতা সোহেল খানের সঙ্গে ডিভোর্সের সময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি এবং সেই সময়ে কীভাবে পাশে পেয়েছিলেন সলমন খানকে সেই সবটাই অকপটে জানালেন তিনি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সীমা বলেন, ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেওয়া তাঁর জন্য সহজ ছিল না। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং সামাজিক চাপ সব মিলিয়ে ভীষণ কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই মানসিক অস্থিরতার মধ্যেই তিনি সবচেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছিলেন সলমন খানের কাছ থেকে। সীমা জানান, “এই পুরো সময়টা জুড়ে সলমান আমার পাশে ছিলেন। আমি কখনও একা অনুভব করিনি। আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে তিনি আমাকে শক্ত থাকতে শিখিয়েছেন।” শুধু সলমন খানই নন, খান পরিবারের অন্য সদস্যরাও তাঁকে সমর্থন করেছেন বলে জানান সীমা।
সীমা জানান ডিভোর্স হলেও তাঁকে সবাই পারিবারিক সম্পর্কগুলোর প্রতি সম্মান বজায় রাখার কথা বলেছিলেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভাঙলেও সন্তানদের স্বার্থে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক কোনওদিন নষ্ট করেননি। তিনি কখনই চাননি ডিভোর্সের আঁচ তাঁর সন্তানদের ওপর পড়ুক।
ডিভোর্সের পর নিজের জীবনকে নতুনভাবে গুছিয়ে নিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, এই অভিজ্ঞতার পর তিনি আরও আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠেছেন। এখন কাজ, পরিবার ও নিজের মানসিক সুস্থতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
প্রসঙ্গত ২০২২ সালে ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন সলমন খানের ভাই সোহেল খান এবং সীমা সাজদেহ। সীমা জানান সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের চিন্তা ভাবনার পরিবর্তন আসে তাই বিছেদের পথে হাঁটেন তাঁরা।
ভাইজানের প্রাক্তন ভাতৃবধু বলেছিলেন “বিয়ের সময় আমরা দুজনেই খুব ছোট ছিলাম। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটে। একটা সময় আমরা বুঝতে পারি, স্বামী-স্ত্রীর চেয়ে বন্ধু হিসেবে আমরা বেশি সফল। বাড়ির পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং প্রতিদিনের অশান্তি দূর করতে বিচ্ছেদটাই আমাদের কাছে ঠিক বলে মনে হয়েছিল।” তবে বিচ্ছেদ হলেও খান পরিবারের সঙ্গে এখনও সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন সীমা।