হিরণের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা, হতে পারে ৭ বছরের কারাদণ্ড - Bengali News | Non bailable case filed against hiran chatterjee could face up to 7 years in prison - 24 Ghanta Bangla News
Home

হিরণের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা, হতে পারে ৭ বছরের কারাদণ্ড – Bengali News | Non bailable case filed against hiran chatterjee could face up to 7 years in prison

Spread the love

হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বুধবার রাতেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিজেপি বিধায়কের স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার হিরণের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করল আনন্দপুর থানার পুলিশ। (BNS)-এর ৮২(১)/৮৫/৫৪ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তাঁর উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালিয়েছেন। পাশাপাশি, অভিযোগে বলা হয়েছে, বিবাহিত অবস্থায় হিরণ চট্টোপাধ্যায় ও হৃতিকা গিরি অবৈধভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। শুধু হিরণ নয়, অনিন্দিতা এফআইআর দায়ের করেছেন হিরণের নতুন বউ হৃতিকার নামেও।

কী কী অভিযোগ এনেছেন অনিন্দিতা?

পুলিশ সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, হিরণের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনেছেন অনিন্দিতা। যেমন, বিবাহিত অবস্থায় অবৈধ বৈবাহিক সম্পর্ক। দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীর উপর মানসিক বা শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ । অপরাধে সহায়তা ও প্ররোচনা করার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে ক জেল হতে পারে হিরণের?

ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ২০২৩-এর ধারা ৮২(১) [সাবেক আইপিসি ৪৯৪] স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও পুনরায় বিবাহ করাকে (দ্বিবিবাহ) দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করে। এর ফলে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। এটি এমন বিবাহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা প্রথম স্বামী/স্ত্রী জীবিত থাকার কারণে আইনত বাতিল।

ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ২০২৩-এর ধারা ৮৫ (পূর্বে IPC-র ৪৯৮এ) অনুযায়ী, কোনো মহিলার স্বামী বা স্বামীর আত্মীয়রা যদি তার ওপর মানসিক বা শারীরিক নিষ্ঠুরতা চালায়, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এর জন্য ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে [১, ২, ৭]। এটি একটি আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য অপরাধ।

ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) ২০২৩-এর ধারা ৫৪ (Abettor present when offence is committed) অনুযায়ী, কোনো অপরাধ সংঘটনের সময় যদি প্ররোচনাকারী বা সহায়তাকারী (Abettor) সশরীরে উপস্থিত থাকেন, তবে ধরে নেওয়া হবে যে তিনি নিজে সেই অপরাধটি করেছেন [১, ২, ৬]। এটি পুরনো আইপিসি (IPC) ধারা ১১৪-এর পরিবর্তে যুক্ত করা হয়েছে, যা অপরাধস্থলে উপস্থিত সাহায্যকারীকে সরাসরি দোষী সাব্যস্ত করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *