Hanta Kali-Malda: মোদীর মুখে মালদহের ‘হ্যান্টা কালী’র নাম, শত শত বছরের পুরনো সেই ইতিহাস জানেন? – Bengali News | Who is Hanta Kali in Malda, mentioned by PM Narendra Modi in his speech
মালদহ: ‘জয় মা মনষ্কামনা, জয় মা হ্যান্টা কালী’, গত শনিবার বঙ্গ সফরে এই দুটি নাম বলেই বক্তব্য শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, আদৌ হ্যান্টা কালী নামে কেউ আছেন? নাকি উচ্চারনে ভুল করে ফেললেন প্রধানমন্ত্রী? বিরোধী দল তৃণমূলের কিছু সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলেও এই চর্চা হতে দেখা যায়। হ্যান্টা কালীর অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলে তৃণমূল।
সেদিন মালদহের বুকে দাঁড়িয়ে হ্যান্টা কালীর নাম নিয়েছিলেন মোদী। মালদহে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, কয়েক’শ বছর আগের এক মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত কালীর নামই হ্যান্টা কালী। রয়েছে মা মনষ্কামনার মন্দিরও। দুটি মন্দিরই ৩০০ থেকে ৩৫০ বছরেরও বেশি পুরনো। হ্যান্টা কালী মন্দির এতটাই প্রাচীন যে তার শুরুর সময়কালও অনেকের জানা নেই। দেশ যে বছর স্বাধীন হয়, সেই ১৯৪৭ সালে নতুন করে মন্দির প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু হয়।
তার আগে মালদহের চাঁচলের রাজা শরৎচন্দ্র এই পুজোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে জানা যায়। মালদহের ইংরেজবাজার পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যেই পড়ে হ্যান্টা কালীর মন্দির। প্রধানমন্ত্রীর মুখে মালদহের এই প্রাচীন মন্দিরের কথা শুনে খুশি ওই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অশোক সাহা। তিনি আবার একথাও জানিয়েছেন যে, প্রাচীন এই মন্দিরের সঙ্গে বহু মানুষের আস্থা জড়িয়ে আছে। এমনকী দেশে বা দেশের বাইরেও এই মন্দিরের পরিচিতি রয়েছে।
বিজেপিও বলছে, এই দুই মন্দিরের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। বিজেপি নেতা জানান, এই হ্যান্টা কালীর মন্দিরের মধ্যে দিয়ে আগে সুড়ঙ্গপথ ছিল। পাশে বইত মহানন্দা। তারপাশে ঘন জঙ্গল। যাতায়াত করত ডাকাতরা। সেই সময়ই পুজো শুরু হয়, যা আজ এক অন্য মাত্রা পেয়েছে। হ্যান্টা কালী মন্দিরের জন্য জায়গাটির নাম হ্যান্টা কালী মোড়। অন্যদিকে মনষ্কামনা মন্দিরের নামে রয়েছে মনষ্কামনা রোড।