Aadhaar Biometric Lock: এই কাজ না করলে হতেই পারেন সর্বস্বান্ত! কীভাবে করবেন আধারের বায়োমেট্রিক লক? – Bengali News | Unique Identification Authority of India, Aadhaar Biometric Lock: You could lose everything if you don’t do this! How to lock your Aadhaar biometrics?
যে কোনও ভারতীয়ের কেওয়াইসি করার সবচেয়ে সহজ ডকুমেন্ট হল আধার কার্ড। আধার কার্ডে মোবাইল নম্বর অ্যাড করা থাকলে তা দিয়ে অনলাইনেও কেওয়াইসি করা যায়। ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে যে কোনও পরিষেবা পেতে, মোবাইলের সিম কিনতে, সরকারি পরিষেবা পেতে বা যে কোনও ক্ষেত্রে পরিচয় যাচাইকরণের ক্ষেত্রে আধার কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। আর এই ডকুমেন্টের ব্যবহার যত বেড়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডেটা অপব্যবহার ও অননুমোদিত অ্যাক্সেসের শঙ্কাও। আর সেই ঝুঁকি কমাতেই এবার ভারতের ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি চালু করেছে আধারের বায়োমেট্রিক লক ও আনলকের সুবিধাও।
বায়োমেট্রিক লক কী ও জরুরি কেন?
বায়োমেট্রিক লকের মাধ্যমে আধার কার্ড হোল্ডাররা নিজেদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও আইরিসের তথ্য অন্য কাউকে ব্যবহার করা থেকে বিরত করতে পারেন। আর এর ফলে পরিচয় পত্র চুরি, জাল কেওয়াইসি বা ফিঙ্গার প্রিন্ট নকলের মাধ্যমে প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। কারণ লক করা থাকলে আনলক না করে কেউ বায়োমেট্রিক যাচাই করতে পারবেন না।
বায়োমেট্রিক লক করা থাকলে পরিচয় যাচাই বা কেওয়াইসির মতো বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশনের উপর নির্ভর করে চলা প্রক্রিয়াগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে। তবে আধার নম্বর ও অন্যান্য পরিষেবাগুলো কিন্তু চালু থাকে।
বায়োমেট্রিক লক করবেন কীভাবে?
প্রথমে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সেলফ-সার্ভিস পোর্টালে গিয়ে আধার নম্বর দিন। তারপর আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি আসবে। সেটি যাচাই করুন। যাচাই সম্পন্ন হলেই বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন লক হয়ে যাবে। আর এই কাজ করতে কিন্তু কোনও ফিও লাগে না। তবে আপনার আধার অ্যাপ থাকলে অ্যাপ দিয়ে খুব সহজেই করতে পারবেন আধারের বায়োমেট্রিক লক বা আনলক।
আনলক করবেন কীভাবে?
যখন কোনও কাজে বায়োমেট্রিক যাচাই দরকার হবে, তখন একই পোর্টাল থেকে ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে সহজেই আধার আনলক করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারকারীরা যতবার খুশি লক–আনলক করতে পারেন।
ডিজিটাল যুগে আধার-ভিত্তিক পরিষেবা যত বাড়ছে, নিরাপত্তার গুরুত্বও তত বাড়ছে। বায়োমেট্রিক লক–আনলক সুবিধা আধারধারীদের নিজেদের তথ্যের উপর নিয়ন্ত্রণ দেয়। সচেতনভাবে এই ফিচার ব্যবহার করলে ডেটা সুরক্ষা অনেক বেশি শক্তিশালী হবে।