SSK: সাম্মানিক ১০ হাজার টাকাও ৪ মাস ঘরে আটকে! সর্বশিক্ষা মিশনের বেহাল ছবি রাজ্যে - Bengali News | Even the honorary 10000 Rs is stuck at home for 4 months the poor image of the sarva shiksha mission in the state - 24 Ghanta Bangla News
Home

SSK: সাম্মানিক ১০ হাজার টাকাও ৪ মাস ঘরে আটকে! সর্বশিক্ষা মিশনের বেহাল ছবি রাজ্যে – Bengali News | Even the honorary 10000 Rs is stuck at home for 4 months the poor image of the sarva shiksha mission in the state

Spread the love

শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না ৪ মাস ধরেImage Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: চার মাস ধরে ভাতা আটকে পুরসভার শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষিকাদের। ভাতা না পেয়ে কর্মীদের নুন আনতে পানতা ফুরনোর অবস্থা। তাঁদের প্রতি মাসে সাম্মানিক ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। কিন্তু সেটাও আটকে রয়েছে চার মাস ধরে। একে তো নামেমাত্র সাম্মানিক, সেটাও মেলে না নিয়মিত। সর্বশিক্ষা মিশনের বেহাল ছবি ধরা পড়ল রাজ্যে। রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের মাশুল গুনছেন তাঁরা। কেন্দ্র সমগ্র শিক্ষা মিশনের টাকা আটকে রাখায় সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্যের। অন্যদিকে, রাজ্যের দুর্নীতির দিকেই আঙুল তুলেছে কেন্দ্র।

এক শিক্ষিকা বলেন, “বেতনটা আমাদের খুুবই কম। বেতনটা যদি একটু বেশি হয়, তাহলে এই বাজারে আমাদের খুব সুবিধা হত। আমাদের স্কুলে হাইস্কুলের মতোই পঠনপাঠন হয়, সব কিছু হয়। কিন্তু পারিশ্রমিকটা ঠিকঠাক পাচ্ছি না।”

আরেক শিক্ষিকা বলেন, “আমাদের স্কুলে একসময়ে প্রাইমারি স্কুলের থেকেও বেশি বাচ্চা ছিল। কিন্তু এই স্কুলে তো বাচ্চারা জামা, জুতো, বই খাতা কিছুই পায় না। তাই প্রত্যেক বছরই বাচ্চার সংখ্যা কমছে।”

উল্লেখ্য, এই ধরনের স্কুল পঞ্চায়েত ও পুরসভা পরিচালিত হয়। তিন শতাংশ করে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি হয়। মানে ওই তিনশো টাকা মতন। তারপরও মাত্র ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক নিয়েই তাঁরা কাজ করেন। কিন্তু সেই টাকাটাও চার মাস ধরে তাঁরা পাচ্ছেন না। এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা করে তাঁরা অবকাশের পর পান। কিন্তু সেটা এখনও কার্যকরী হয়নি। প্রত্যেক পড়ুয়াকে জামা-জুতো-বই দেওয়ার কথা, কিন্তু সেটাও তারা পাচ্ছে না।

যদিও এই নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার কয়েক হাজার কোটি টাকা আটকে রেখেছে। সর্বশিক্ষা অভিযানের শিক্ষিকা-কর্মীদের টাকা বাড়ানোর কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছেন। কিন্তু ন্যায্য টাকা কেন্দ্র সরকার না ছাড়ছে, আমরা টাকা বাড়াতে পারছি না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *