Basanti: বেছে বেছে নোটিস ধরানো হচ্ছে কেবল সংখ্যালঘুদের, অভিযোগ তুলে হাইওয়ে অবরোধ – Bengali News | Only minorities are being selectively served notices highway blocked over allegations
বাসন্তীতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভImage Credit: TV9 Bangla
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এসআইআর হিয়ারিংয়ে হয়রানির অভিযোগে বাসন্তীতে বিক্ষোভ। হাইওয়ের ওপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ। স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল। যে এলাকায় অবরোধ চলছে, সেখানকার অধিকাংশ বাসিন্দাই সংখ্যালঘু। তাঁদের অভিযোগ, বেছে বেছে তাঁদেরকেই এসআইআর-এর নোটিস ধরানো হচ্ছে। তাঁরা একাধিক নথি জমা দেওয়ার পরও শুনানিতে ডেকে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
উল্লেখ্য, এই অভিযোগে বিক্ষোভ চলছে বাদুড়িয়া, মগরাহাট, মঙ্গলকোটেও। সব তথ্য সমূহ দেওয়ার পর ও কেন এক সঙ্গে এত মানুষকে ফের নোটিস! চোখে জল নিয়ে এমনি প্রশ্ন তুলেছেন এই মাটিতেই ৫০ সালে জন্মগ্রহণ করা এক প্রবীণ ভোটারও। এক গ্রামবাসীর আরও অভিযোগ, “কমিশন কোনও কাগজ বা নথি দিচ্ছে না। খালি বি এল ও বলছে, আর তাতেই জানতে পারলাম।” এক বিক্ষোভকারীর বক্তব্য, “মুসলমানদের বেছে বেছে হেনস্থা করা হচ্ছে। আমাদের এক-একজনের ২-৪ টে ছেলেমেয়ে রয়েছে। আমাদের অন্য দাদাদিদিদের হয়ে যাচ্ছে, আমাদের হচ্ছে না। আমাদের ৬টা ছেলে হয়েছে বলে প্রমাণ দিতে বলছে।”
এদিকে, নির্বাচন কমিশন আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, শুনানিতে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড। অ্যাডমিট জমা দেওয়া ভোটারদের ফের ডাকবে কমিশন। কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, অ্যাডমিটের বদলে অন্য নথি জমা দিতে হবে কমিশনে। আধার কার্ড বাদ দিয়ে যে ১২টি নথি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল, তার মধ্যে ছিল মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট। এই রাজ্যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিটে বয়স উল্লেখ থাকে। যাঁদের বার্থ সার্টিফিকেট নেই, তাঁরা মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা করছিলেন। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নয়, শংসাপত্রই দিতে হবে। কারণ এই রাজ্যের বাইরে অ্যাডমিট কার্ড গৃহীত হবে না।