বলিউডে কাজ পাচ্ছেন না রহমান! কোন রূঢ় সত্য সামনে আনলেন সুরকার? - Bengali News | Ar rahman opens up about fewer hindi film offers in recent years - 24 Ghanta Bangla News
Home

বলিউডে কাজ পাচ্ছেন না রহমান! কোন রূঢ় সত্য সামনে আনলেন সুরকার? – Bengali News | Ar rahman opens up about fewer hindi film offers in recent years

Spread the love

অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান বলিউড নিয়ে এক বিস্ফোরক সত্য প্রকাশ করেছেন। ভারতের অন্যতম সম্মানিত সঙ্গীত পরিচালক হওয়া সত্ত্বেও গত আট বছর ধরে বলিউডে তাঁর কাজের সুযোগ উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন। রহমানের মতে, বলিউডের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার সমীকরণ বা ‘পাওয়ার গেম’-এর পরিবর্তনের কারণেই তার কাছে আগের মতো প্রস্তাব আসছে না।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রহমান জানান, হিন্দি সিনেমার সঙ্গে তার সম্পর্কের সমীকরণ বদলে গিয়েছে। তবে তিনি কখনওই কাজের পেছনে ছোটেননি। তিনি বিশ্বাস করেন, আন্তরিকতা থাকলে কাজ নিজে থেকেই আসবে।

রহমান বলেন, “গত আট বছরে বলিউডে ক্ষমতার হস্তান্তর ঘটেছে। সৃজনশীল নন এমন সব মানুষের হাতে এখন ক্ষমতা। এর পেছনে কোনও গোষ্ঠীগত বা সাম্প্রদায়িক রাজনীতিও থাকতে পারে, যদিও তা সরাসরি আমার সামনে আসে না। আমি লোকমুখে অনেক কথা শুনি।”

কাজের সুযোগ কমে গেলেও তা রহমানের সৃজনশীল মানসিকতা বা আত্মবিশ্বাসে কোনও প্রভাব ফেলেনি। তিনি জানান, তিনি কাজ খুঁজতে পছন্দ করেন না। বরং কাজ যেন তাকে খুঁজে নেয়, এটাই তার চাওয়া।

রহমান আরও বলেন, “হয়তো কোনও ছবিতে আমাকে নেওয়া হল, কিন্তু দেখা গেল মিউজিক কোম্পানি তলে তলে আরও পাঁচজন সুরকারকে নিয়োগ করেছে। আমি বলি ভালই তো, আমি পরিবারকে দেওয়ার মতো আরও বেশি সময় পাব। আমি কাজের সন্ধানে নেই এবং কাজ খুঁজতে কোথাও যেতেও চাই না। আমার সততাই যেন কাজ নিয়ে আসে। আমি যা পাওয়ার যোগ্য, তা নিশ্চয়ই পাব।”

বর্তমান বলিউড দ্রুত সাফল্য পেতে একই অ্যালবামে একাধিক সুরকারকে দিয়ে কাজ করানো এবং ব্যবসায়িক ট্রেন্ডের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে, যার ফলে সৃজনশীল সঙ্গীত ভাবনা কোথাও যেন হারিয়ে যাচ্ছে। রহমান আরও জানান যে, সাফল্যের চূড়ায় থাকা সত্ত্বেও কেরিয়ারের শুরুতে অনেকদিন নিজেকে বলিউডে ‘বহিরাগত’ বলে মনে করতেন। ১৯৯১ সালে মণি রত্নমের ‘রোজা’ দিয়ে বলিউডে হাতেখড়ি হলেও এবং এরপর ‘বোম্বে’ বা ‘দিল সে’-র মতো কালজয়ী কাজ করলেও বলিউডের মূলধারা তাঁকে গ্রহণ করতে সময় নিয়েছিল।

রহমানের কথায়, “প্রথম তিনটি ছবির সময় আমি বহিরাগতই ছিলাম। কিন্তু ১৯৯৯ সালে সুভাষ ঘাইয়ের ‘তাল’ ছবিটির অ্যালবাম সবার রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল।” উত্তর ভারতের শ্রোতাদের হৃদয়েও এই অ্যালবামটি এক বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিল, যা রহমানের জন্য ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বাধা দূর করতে সাহায্য করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *