Budget 2026: বাজেটে নতুন কিছুর আশা দেশের আবাসন শিল্পের, কমবে কর! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? – Bengali News | Budget 2026: The country’s housing industry is hoping for something new in the budget, including a reduction in taxes! What are the experts saying?
বাজেটের দিকে তাকিয়ে আবাসন শিল্প!
চলতি বছরের পূর্ণাঙ্গ বাজেট আসতে বাকি রয়েছে আর কয়েকটা দিন। আর তার আগে এ কথা বলাই যায়, দেশের রিয়েল এস্টেট শিল্পের চোখ এবার করনীতির দিকে। গত দু’বছর আবাসনের বাজারে একটা স্থিতিশীল চাহিদা ছিল। আর তারপর এবার আবাসন শিল্পের মূল চাহিদা হল দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্পষ্টতা। এই শিল্প এখন আর স্বল্পমেয়াদি ছাড় চায় না।
ডেভেলপারদের মতে, আসন্ন বাজেটে নতুন ভর্তুকির সম্ভাবনা কম। বরং মূল ফোকাস থাকবে ক্যাপিটাল এফিশিয়েন্সি বাড়ানো ও নিয়ন্ত্রকের অনিশ্চয়তা কমানোর দিকে। শিল্পমহল বলছে, রিয়েল এস্টেট এখন দেশের জিডিপি ও কর্মসংস্থানের অন্যতম স্তম্ভ। তাই ক্রমাগত কর্মপ্রেরণা নয়, এই শিল্পে প্রয়োজন স্থায়ী নীতিগত কাঠামো।
প্রিমিয়াম ও লাক্সারি হাউজিং সেগমেন্টে চাহিদা এখনও উর্ধ্বমূখী। বিশেষ করে ২ কোটি টাকার চেয়ে বেশি দামের বাড়ি কিনছেন যাঁরা তাঁরা কেউ সাধারণ ব্যক্তি নন, তাঁরা অতি ধনী ব্যক্তি। যাঁদের কাছে বাড়ি প্রয়োজনীয়তা নয়, বাড়ি তাঁদের কাছে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সম্পদ।
ডেভেলপাররা বলছেন, ক্যাপিটাল গেনসের সময়সীমা ও ইনডেক্সেশন সুবিধা নিয়ে স্পষ্টতা এলে বড়, ডিজাইন-নির্ভর প্রকল্প পরিকল্পনা করা সহজ হবে। এতে কর্মসংস্থান বাড়বে, পাশাপাশি এনআরআই ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগও আসবে দেশের রিয়েল এস্টেট সেক্টরের প্রতি।
তবে শুধু লাক্সারি নয়, সাশ্রয়ী আবাসন আর নগরায়নও বাজেটের মধ্যে থাকা দরকার। বড় শহরে বাস্তবসম্মত দামে সাশ্রয়ী আবাসনের সংজ্ঞা নতুন করে নির্ধারণ, ১ শতাংশ জিএসটি সুবিধার পরিসর বাড়ানো এবং ডেভেলপারদের ইনপুট সার্ভিসে জিএসটি কমানোর দাবিও উঠছে।
একই সঙ্গে মেট্রো, লোকাল ট্রেন ও পরিকাঠামোয় বিনিয়োগ বাড়লে রিয়েল এস্টেট সেক্টর আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে বার্তা স্পষ্ট— ২০২৬ সালের বাজেটে আবাসন শিল্প চায় স্থায়িত্ব, পূর্বানুমেয় করনীতি ও ধারাবাহিক পরিকাঠামো বিনিয়োগ। সেই প্রত্যাশা কতটা পূরণ হয়, তার ওপরই নির্ভর করবে আগামী বছরের আবাসন বাজারের মেজাজ।