TMC MP Abhishek Banerjee: IPAC তল্লাশিতে তৃণমূলের আপত্তিটা কোথায়? অভিষেক বুঝিয়ে দিলেন আজ – Bengali News | TMC MP Abhishek Banerjee said why they have objection on IPAC
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদImage Credit: Facebook
কলকাতা: আইপ্যাক ইস্যুতে সরব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ইডি ঘটনার দিন তৃণমূলের সব তথ্য চুরি করতে এসেছিল বলে তোপ দেগেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে, তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিযোগ করেছেন, গতবারের নির্বাচনে (২০২১) তাঁর ফোনে পেগাসাস ঢোকানো হয়েছিল। কিন্তু তারপরও হেরেছে বিজেপি। আর এবার আইপ্যাকের অফিসে ইডি কেন গিয়েছে সেই নিয়েই মুখ খুলেছেন তিনি।
আজ অভিষেক ডিজিটাল যোদ্ধাদের বুঝিয়ে বলেন, কোন কোন বিষয় মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। তিনি বলেন, “IPAC-এর অফিসে তল্লাশি হল। বিজেপির নেতারা বলছেন কয়লাকাণ্ডে ইডি তল্লাশি করছে তাতে আপত্তি কোথায়? আপত্তি দু’টো জায়গায়। কয়লা তদন্তে ঠিক ভোটের আগে তল্লাশি। এখানে আপত্তি।” তিনি আরও বলেন, “দু’নম্বর আপত্তি হল, আইপ্যাকের তিনজন ডাইরেক্টর। একজন দিল্লিতে, একজন বাংলায় একজন তামিলনাড়ুতে কাজ করছে। তাহলে খালি বাংলায় তল্লাশি হবে কেন? খালি কলকাতায় তল্লাশি কেন? হায়দরাবাদে নয় কেন? কারণ, তল্লাশি করতে আসেনি। তথ্য চুরি করতে এসেছে। আগের বার নির্বাচনের সময় আমার ফোনে পেগাসাস ঢুকিয়েছিল। তারপরও হেরেছে। এবারও হারবে। তল্লাশি করতে আসেনি। চুরি করতে এসেছে।”
এখানে উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার কলকাতায় আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি আর অফিসে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি, দিল্লির আইপ্যাক অফিস-সহ আরও কয়েকটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। কেন্দ্রের তদন্তকারীদের দাবি, ওই অফিস থেকে বেআইনি লেনদেনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বৈদ্যুতিন নথিও রয়েছে।
তবে কলকাতায় তল্লাশি চলাকালীন খোদ মুখ্যমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত হন। ইডির অভিযোগ, তারপর তিনি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে সেখান থেকে চলে যান। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তবে একটি নয়, দুটি মামলা হয়েছে। প্রথম পিটিশনটি দায়ের করা হল ইডির তরফে। দ্বিতীয় পিটিশনটি দায়ের করলেন ইডির তিন আধিকারিক — নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। দুই মামলাতে রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।