ED in Supreme Court: আইপ্যাক-কাণ্ড CJI-র এজলাসে মেনশনের সুযোগ পেয়েও কেন বিরত থাকল ইডি? – Bengali News | ED Stays Silent in Supreme Court Despite Filing Pleas Alleging Probe Obstruction by Bengal Govt, CM and DGP
নয়াদিল্লি: রাজ্য পুলিশ-প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়া এবং তথ্য প্রমাণ সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে আগেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সিবিআইকে যুক্ত করার আবেদনও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু সুযোগ পেয়েও সোমবার সেই জোড়া মামলাকে নতুন করে ‘মেনশন’ করলেন না ইডি আধিকারিকরা। থাকলেন চুপ।
শনিবার সুপ্রিম কোর্টের কাছে দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। দায়ের হয়েছিল জোড়া মামলা। যার মধ্য়ে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল ইডি তরফে। অন্যটি দাখিল করেছিলেন ইডির ৩ অফিসার। তাতে পার্টি করা হয়েছে বা সহজ করে বলতে গেলে অভিযুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার এবং নগরপাল মনোজ ভর্মাকে । সংশ্লিষ্ট আবেদনে তল্লাশিতে বাধা, বলপ্রয়োগ-সহ একাধিক অভিযোগ এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
তবে পিটিশন দাখিল করলেও সংশ্লিষ্ট মামলাকে সোমবার আলাদা করে ‘মেনশন’ করেনি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অনেক সময় কোনও মামলার ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্য আলাদা করে ‘মেনশন’ করে থাকেন মামলাকারীরা। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বসেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধানবিচারপতির বেঞ্চ। কিন্তু সেই বেঞ্চের কাছে রাজ্যের বিরুদ্ধে করা মামলা আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়ার আবেদন জানায়নি ইডি। ফলত যতক্ষণ না ইডির পিটিশন কোনও বেঞ্চের তালিকাভুক্ত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত শুনানির সম্ভবনাও থাকছে না।
কিন্তু পিটিশন দাখিল করেও ইডির চুপ থাকার কারণ কী? আইপ্য়াক-কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টে আগেই মামলা দায়ের করেছে ইডি। সেই মামলার শুনানি ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতুবি করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ৪৮ ঘণ্টা পরেই হাইকোর্টে শুনানি হতে পারে। তাই এই মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া মামলা আলাদা করে ‘মেনশন’ করা অযৌক্তিক। যা জানেন ইডির আইনজীবীরাও।
শুধু তা-ই নয়, শনিবার সুপ্রিম কোর্টে একটি ক্যাভিয়েট ফাইল দাখিল করেছিল রাজ্য সরকার। তাতে রাজ্যের আবেদন, আইপ্যাকের দফতর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশির ঘটনায় ইডি সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলে তাদের জানাতে হবে। এই মামলায় কোনও নির্দেশ দেওয়ার আগে রাজ্য়ের পক্ষের বক্তব্যও শুনতে হবে। সুতরাং বলা যেতে পারে, সেই প্রসঙ্গ মাথায় রেখেও আলাদা করে মামলা মেনশনে জোর দেয়নি ইডি।