SIR in Bengal: অবশেষে কাজের কাগজে ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের জন্য বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের - Bengali News | Election Commission Clears Tea & Cinchona Garden Employment Records as Valid ID Proof in North Bengal - 24 Ghanta Bangla News
Home

SIR in Bengal: অবশেষে কাজের কাগজে ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের জন্য বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের – Bengali News | Election Commission Clears Tea & Cinchona Garden Employment Records as Valid ID Proof in North Bengal

Spread the love

কলকাতা: উত্তরবঙ্গে চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনে ‘বিশেষ ছাড়’ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। কাজের কাগজেই মিলবে ভোটাধিকার। বাগানের শ্রমিকদের জন্য নথির সংখ্য়া বাড়াল কমিশন। মান্যতা পেল তাঁদের দাবিও।

রবিবার এই মর্মে রাজ্য়ে সিইও দফতরে একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই নির্দেশিকায় সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে নির্দিষ্ট বাগানের কর্মসংস্থানের নথি দেখালেই হবে। তবে সঙ্গে জুড়ে দিতে হবে বাসস্থানের বৈধ প্রমাণপত্র। তা হলে ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে কোনও সমস্য়াই থাকবে না। কমিশনের এই নির্দেশ শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাত জেলা — দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহারের জন্য। সেখানকার চা এবং সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে নথিতে এই বিশেষ ছাড় পাবেন।

ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রাথমিকভাবে ১১টি নথির কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। পরে তাতে আরও দু’টি নথি যোগ হয়। প্রথম, আধার কার্ড। দ্বিতীয় বিহারের এসআইআর নথি। কিন্তু উত্তরবঙ্গের চা ও সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের অনেকের কাছেই সেই সব নথি নেই। বংশপরাম্পরায় তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত। তাই সেই মর্মেই ওই শ্রমিকদের ভোটার তালিকায় নাম তোলা জন্য কাজের কাগজে কমিশনকে সিলমোহর দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা। এবার সেই প্রস্তাবে সায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বাংলার প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়ায় আরও একটি বদল এনেছে কমিশন। রাজ্যের বিচ্ছিন্ন জনবসতি এবং প্রান্তিক মানুষের স্বার্থে ‘ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার’ বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্রে শুনানি পরিচালনায় অনুমতি দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বিচ্ছিন্ন জনবসতি বা প্রান্তিক এলাকায় থাকা মানুষও যাতে এসআইআর শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেই বিষয়টি সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *