PM Modi in Singur: না 'ফলল' ন্যানো, না ফলল ধান! মোদীর নাম শুনেই সিঙ্গুরে নামল জেসিবি - Bengali News | Singur Back in Focus: As PM Modi Visits After 18 Years, Farmers Question Long Unkept Promises - 24 Ghanta Bangla News
Home

PM Modi in Singur: না ‘ফলল’ ন্যানো, না ফলল ধান! মোদীর নাম শুনেই সিঙ্গুরে নামল জেসিবি – Bengali News | Singur Back in Focus: As PM Modi Visits After 18 Years, Farmers Question Long Unkept Promises

কী চলছে সিঙ্গুরে?Image Credit: নিজস্ব চিত্র

হুগলি: টাটা গিয়েছে, বামেরা হারিয়ে গিয়েছে, মমতা এসেছেন। এসেছে বিজেপি। সিঙ্গুর আন্দোলনের পর অনেকটাই বদলে গিয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ। আগের মতো রাইটার্স বিল্ডিং নয়, এখন গুরুত্ব বেশি নবান্নের। কিন্তু এত কিছু বদলের নেপথ্যে থাকা অণুঘটক আজও বদলায়নি। শরৎ এলে সেই জমিতে কাশ ফোটে, কিছুটা চাষবাস হয়। কিন্তু বেশির ভাগটাই পড়ে রয়েছে। আর সেই বাম আমলের মতোই আজও প্রশাসনের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সিঙ্গুরবাসী। রাজ্যজুড়ে ‘বদলের জোয়ার’ এলেও, তা তাঁদের জীবনে আসেনি বললেও ভুল হবে না।

টাটা-বিদায়ের ১৮ বছর পর, আগামী ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে আসার সম্ভবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলায় রতন টাটার স্বপ্নের ন্যানো গাড়ির কারখানার ‘অপমৃত্যু’র পর সেই স্বপ্নকে নতুন করে জিইয়ে তুলতে তিনি গিয়েছিলেন গুজরাট। সেখানেই তৈরি হয়েছিল বাংলায় না-হওয়া ন্যানোর গাড়ির কারখানা। তখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচনী সফরে আসছেন। আর তাঁর নজর আপাতত সেই সিঙ্গুরের মাটিই।

১০ বছর আগেই মামলা-মোকদ্দমা শেষ করে নিজেদের জমি ফিরে পেয়েছেন সিঙ্গুরের চাষিরা। সেই সময় রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ৭০ শতাংশ জমি চাষযোগ্য করে দেওয়ার। কিন্তু দশক কেটে গেলেও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। এবার এই আবহেই প্রধানমন্ত্রীর সফর। এবার তার আগেই আচমকা আগাছা ভর্তি সিঙ্গুরের কৃষি জমিতে শুরু হয়েছে পরিষ্কারের কাজ। মোদীর সফরের আগে সিঙ্গুরের বাজেমেলিয়া মৌজা এলাকায় ১৫টিরও বেশি জেসিবি নামিয়ে চলছে বন পরিষ্কার।

অন্যদিকে ক্ষোভে ফুঁসছেন সিঙ্গুরের চাষিরা। জমি পেলেও, তা এখনও চাষযোগ্য করে দেওয়া হয়নি বলেই দাবি তাঁদের। এদিন মহাদেব দাস নামে সিঙ্গুরের এক কৃষক বলেন, ‘জমিটিকে চাষযোগ্য করার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়েছি। প্রশাসনের কাছেও এই মর্মে একাধিকবার আবেদন জানান হয়েছিল। কিন্তু কেউ কথা কানে তোলেনি।’ একই সুর সিঙ্গুর বন্ধ্যা জমি পুনর্ব্যবহার কমিটির সম্পাদক দুধকুমার ধাড়ারও। তাঁর কথায়, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম যে প্রশাসন ৭০ শতাংশ জমি চাষযোগ্য করে দেওয়ার কথা বললেও, তা করেনি। কিন্তু এখন প্রধানমন্ত্রী সফরের আগেই দেখছি জমি পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এখানকার বিধায়ক মিথ্যাচার করেছিলেন, সেটা এখন ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই জমি পরিষ্কার করছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *