Jalpaiguri: বিজেপি কর্মীদের গুলি করে মারার নিদান, স্মারকলিপি পেশ – Bengali News | Reason for shooting of BJP workers, memorandum submitted
হলদিবাড়ি থানা ঘেরাও বিজেপি কর্মীদেরImage Credit: TV9 Bangla
জলপাইগুড়ি: বিজেপি কর্মীদের গুলি করে মারার নিদান। আর তাই ঘিরে তুঙ্গে রাজনীতি। প্রতিবাদে হলদিবাড়ি থানায় বিক্ষোভ বিজেপির। I-PAC কর্তার বাড়িতে ইডি হানার প্রতিবাদে সভা হচ্ছিল। তাতে বক্তব্য রাখছিলেন জলপাইগুড়ির তৃণমূল শহর সভাপতি অমিতাভ বিশ্বাস। তিনি বিজেপি কর্মীদের গুলি করার নিদান দেন। তারই প্রতিবাদে ও তৃণমূলের ওই নেতাকে দ্রুত গ্ৰেফতারের দাবিতে রবিবার বিকেলে বিজেপির হলদিবাড়ি তিন মণ্ডলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও হলদিবাড়ি থানার স্মারকলিপি দেন।
উপস্থিত ছিলেন, বিজেপির হলদিবাড়ি টাউন মন্ডলের সভাপতি প্রদীপ সরকার, দক্ষিণ মন্ডলের সভাপতি শঙ্কর বর্মন, উত্তর মন্ডলের সভাপতি পীযুষকান্তি রায়, বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলার যুব মোর্চার সহ সভাপতি জ্যোতি বিকাশ রায়, জলপাইগুড়ি জেলার কমিটির সদস্য অপূর্ব কুমার রায়।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার I PAC কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও তাঁর অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। তল্লাশি অভিযানের মাঝেই ঢুকে পড়ে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, ছক করে দলের স্ট্র্যাটেজি, প্ল্যানিং, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার ছক কষা হয়েছে। খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিকাল চারটের সময় জায়গা-জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের সভা করার নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি শুক্রবার পথে নামেন নিজেও। এই আবহের মধ্যেই জলপাইগুড়িতে বিজেপি কর্মীদের গুলি ও ED-র পশ্চাৎদেশে ডান্ডা মারার নিদান দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল নেতা।
তিনি বলেন, “আমরা দেখলাম ইডি গেল আইপ্যাকে। আর তারপর আমাদের প্রার্থী তালিকা চুরি করে নিয়ে গেল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেইটাই বাঁচাতে গিয়েছিলেন। তারই প্রতিবাদে আমরা মিছিল করলাম। নরেন্দ্র মোদী চোর। এই চোরের বিরুদ্ধেই আমাদের প্রতিবাদ। ইডির পশ্চাৎদেশে ডাণ্ডা মারা উচিত। বিজেপির চামচাগিরি চলবে না।” তারই প্রতিবাদে বিজেপির স্মারকলিপি জমা দেয়।
বিজেপির মন্ডল সভাপতি প্রদীপ সরকার বলেন, “এই ধরনের কথাবার্তা। তৃণমূল যে গুন্ডাদল তার প্রমাণ দিলেন উনি। হলদিবাড়ির রাজনীতি এরকম নয়। আমরা দেখেছি পঞ্চায়েত নির্বাচনে হলদিবাড়িতে প্রার্থীই দিতে পারত না তৃণমূল।”