Income Tax: ৭ লাখ বা ১২ লাখ নয়, এবারের বাজেটে আরও আয়কর ছাড় দেবে সরকার? – Bengali News | Will Finance Minister Nirmala Sitharaman Give out More Income Tax Relief in Upcoming Budget 2026, What Experts say
নয়া দিল্লি: দেখতে দেখতেই আরও একটা বাজেট (Budget 2026) চলে এল। গতবার অর্থাৎ ২০২৫ সালের বাজেট করদাতাদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক ছিল কারণ কেন্দ্রীয় সরকার আয়কর (Income Tax) বিরাট ছাড় দিয়েছিল কর কাঠামোয় পরিবর্তন এনে। স্বস্তি পেয়েছিল মধ্যবিত্তরা। এবারও কি বাজেটে আবার বড়সড় চমক দেবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন?
গত বছরের বাজেটে আয়কর স্ল্যাবে পরিবর্তন, করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি এবং নতুন কর ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার ফলে বহু পরিবারের করের বোঝা কমেছিল। এবার নজর কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-এর দিকে। তবে এই বছর বাজেটে আয়কর নিয়ে প্রত্যাশা অনেকটাই কম। আয়কর বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার বড় ধরনের আয়কর ছাড়ের আশা করা উচিত নয়। কারণ আগের বাজেটেই উল্লেখযোগ্য সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং সরকারের হাতে কর আরও কমানোর জায়গা খুব সীমিত।
ইন্ডিয়া টুডে-কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আয়কর বিশেষজ্ঞ বলেছেন, “আগের বাজেটে যে করছাড় দেওয়া হয়েছে, তার পর এবছর বড় কোনও ছাড় দেওয়ার সুযোগ খুবই কম। সরকারের মূল লক্ষ্য সম্ভবত নতুন ছাড় ঘোষণা না করে কর কাঠামোকে আরও সহজ ও স্পষ্ট করা।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক বছরে সরকার যে পথ অনুসরণ করেছে, সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে। সাম্প্রতিক বাজেটগুলিতে কর ব্যবস্থাকে সহজ করা এবং জটিলতা কমানোর দিকেই জোর দেওয়া হয়েছে। আসন্ন বাজেটেও সেই দৃষ্টিভঙ্গিই বজায় থাকবে। আয়করের হার কমানোর বদলে সরকার নতুন কর ব্যবস্থার কাঠামো আরও উন্নত করার দিকে নজর দিতে পারে।
এবারের বাজেটে সরকারের একটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ হতে পারে, যেসব করছাড় বর্তমানে শুধুমাত্র পুরনো কর ব্যবস্থায় (Old Tax Regime) পাওয়া যায়, সেগুলোর কিছু নতুন কর ব্যবস্থাতেও অন্তর্ভুক্ত করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে নতুন কর ব্যবস্থা আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।
সরকার ধাপে ধাপে পুরনো কর ব্যবস্থা তুলে দিতে পারে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক করদাতা নতুন কর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এবং সরকারের নীতিগত দিকনির্দেশও সেদিকেই স্পষ্ট। ফলে ধীরে ধীরে পুরনো কর ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হতে পারে।
আয়কর বিশেষজ্ঞরা কর স্ল্যাবের বাইরেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা বলেছেন। যেমন-ফিক্সড ডিপোজিটের মতো সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের ওপর করছাড়ের সীমা বাড়ানো। পাশাপাশি TDS ও TCS ব্যবস্থাকে আরও সহজ করার দাবি উঠেছে, যাতে স্বচ্ছতা বজায় রেখেই করদাতাদের ওপর নিয়ম মানার চাপ কমে।