Coal Scam: ওর গন্ধ পেয়েই কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত শুরু করেছিল ED-CBI, সেই লালা এখন কোথায়? - Bengali News | ED CBI started investigating the coal scam after getting a whiff of him, where is that Lala now - 24 Ghanta Bangla News
Home

Coal Scam: ওর গন্ধ পেয়েই কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত শুরু করেছিল ED-CBI, সেই লালা এখন কোথায়? – Bengali News | ED CBI started investigating the coal scam after getting a whiff of him, where is that Lala now

Spread the love

কয়লা পাচারের কিংপিন অনুপ মাঝিImage Credit: TV 9 Bangla

কলকাতা: রাজ্যে গত বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কয়লা পাচার কাণ্ডকে কেন্দ্র করে এক বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসে। যার শিকড় পৌঁছেছিল এক্কেবারে প্রশাসনের উঁচুতলা পর্যন্ত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডির দাবি, ইসিএল-এর খনি থেকে অবৈধভাবে হাজার হাজার কোটি টাকার কয়লা উত্তোলন করে সেই অর্থ প্রভাবশালীদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হতো। বিশেষ করে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের সময়ও এই পাচার চক্র সক্রিয় ছিল। এই গোটা কারবারের মূল পান্ডা হিসেবে উঠে আসে অনুপ মাজি ওরফে লালার নাম, যার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পাশাপাশি লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল সিবিআই। সেই লালা এখন কোথায় আছে? 

তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। ইসিএল-এর অত্যন্ত গোপনীয় সার্ভে রিপোর্ট বা সমীক্ষার তথ্য মোটা অঙ্কের বিনিময়ে পৌঁছে যেত লালার হাতে। লিজপ্রাপ্ত জমির বাইরে কোথায় কয়লা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেই খবর আগাম পেয়েই ২৬৮টি জমি নিজের দখলে নিয়েছিলেন এই কয়লা মাফিয়া। খোদ ইসিএল আধিকারিকদের একটি অংশের মদতে কয়েক কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে ওঠেন তিনি। 

মাছ বিক্রেতা থেকে কয়লা সাম্রাজ্যের অধিপতি

অথচ এই দাপুটে কয়লা মাফিয়ার উত্থান ছিল অত্যন্ত সাধারণ। পুরুলিয়ার নিতুড়িয়া থানার ভামুরিয়া গ্রামের এক ইসিএল কর্মীর সন্তান লালা একসময় পেটের তাগিদে মাছ বিক্রি করতেন। কিন্তু ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা ও খনির ‘গুপ্তধন’ হাতানোর নেশা তাঁকে দ্রুত অপরাধের দুনিয়ার একেবারে শীর্ষে পৌঁছে দেয়। সিনেমার চিত্রনাট্যের মতোই মাছ বিক্রেতা থেকে কয়লা সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়ে ওঠার কাহিনী উঠে আসে কেন্দ্রীয় তদন্তেই। যা দেখে চোখ কপালে উঠে যায় বঙ্গবাসীর। 

কোথায় লালা? 

ইতিমধ্যেই লালার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। আগেই আত্মগোপন করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন লালা। সেখান থেকেই সুপ্রিম কোর্টে দেশে ফিরতে চেয়ে আগাম জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট থেকে মেলে রক্ষাকবচ। আপাতত জামিনে রয়েছেন তিনি। সিবিআইয়ের দায়ের করা কয়লা পাচার মামলা এই মুহূর্তে শুনানি শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। অন্যদিকে ইডি-র করা মামলায় এখনও শুনানি শুরু হয়নি। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *