Bankura: ঢুকতে পারেন না পার্টি অফিসে, জামা-কাপড়ের দোকানে বসে পরিষেবা দেন কাউন্সিলর – Bengali News | Unable to enter party office, councilor provides services sitting in clothing store in bankura
বাঁকুড়া: ওয়ার্ডে ‘জলজ্যান্ত’ তিনটি তৃণমূল কার্যালয় ছিল। কিন্তু কোনও কার্যালয়েই পা দেওয়ার অধিকার নেই কাউন্সিলরের। অন্যদলের, কাউন্সিলর হলে না হয় কথা ছিল। কিন্তু খোদ তৃণমূলের কাউন্সিলরেরই এমন হাল বাঁকুড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে। একের পর এক নির্বাচনে বাঁকুড়া শহরে তৃণমূলের ভরাডুবি ঠেকাতে দল যে বার্তাই দিক না কেন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যে কিছুতেই সামাল দেওয়া যাচ্ছে না এই ঘটনা তার অন্যতম প্রমাণ।
মাঝের পুরসভা নির্বাচন বাদ দিলে গত বিধানসভা নির্বাচন বা লোকসভা নির্বাচন সবক্ষেত্রেই বাঁকুড়া শহরে শাসক তৃণমূলকে অনেকটা পিছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছে গেরুয়া শিবির। অন্তর্দলীয় পর্যালোচনার কারণ হিসাবে শহরাঞ্চলে দলের অন্তর্দ্বন্দকেই দায়ী করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় কোন্দল মেটাতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম দাওয়াইও দিয়েছেন তৃণমূলের বাঁকুড়া শহর থেকে শুরু করে বাঁকুড়া জেলা নেতৃত্ব। কিন্তু সেসব যে কিছুই কাজে লাগেনি তা ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল তৃণমূল কাউন্সিলার বন্দনা লোহারের দুর্দশা।
বন্দনা লোহারের দাবি ওয়ার্ডে মোট তিনটি তৃণমূল কার্যালয় রয়েছে। তিনি নিজে তৃণমূলের প্রতীকে জয়ী হলেও তাঁর সেই কার্যালয়গুলিতে প্রবেশের অধিকার নেই। অগত্যা ওয়ার্ডের পরিষেবা সচল রাখতে নিজের জামাকাপড়ের দোকানে বসেই কাজ করেন ওই তৃণমূল কাউন্সিলর। কাউন্সিলার বন্দনা লোহারের দাবি দোকানটি না থাকলে তিনি গাছ তলায় বসেই মানুষকে পরিষেবা দিতেন।
স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের একাংশের দাবি, কাউন্সিলরের এই হীন দশার ফলে ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষও চূড়ান্ত বিভ্রান্ত। স্থানীয়দের দাবি, সমস্যা হলে কাউন্সিলর দলীয় কার্যালয়ে কোথায় যাবেন তা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। দ্বন্দ্ব মেটাতে কড়া পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছেন তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা নেতৃত্বও।