Suvendu Adhikari: ‘সংখ্য়াটা আমি জানি, বলব না’, SIR নিয়ে জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী – Bengali News | ‘I know the number, I won’t tell’, Shuvendu Adhikari increased speculation about SIR
কলকাতা: উত্তরপ্রদেশে মোট বারো কোটি ৫৫ লক্ষের মধ্যে সব মিলিয়ে বাদ ২ কোটি ৮১ লক্ষ। বাংলার এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যে এবার নতুন চর্চা উত্তর প্রদেশ নিয়েও। এর আগে একাধিকবার শোনা গিয়েছিল প্রায় ৪ কোটির বেশি নাম বাদ যেতে পারে যোগী রাজ্যে। চাপানউতোর চলেছিল প্রশাসনের অন্দরেও। উত্তর প্রদেশে যাঁদের নাম বাদ গেল তাঁরা কী রোহিঙ্গা? এদিন সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্ন যায় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। আর তখনই বাংলা বিহারের প্রসঙ্গ টেনে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে দেখা গেল শুভেন্দুকে।
সাফ বললেন, “এরা কী সেটা ১৪ ফেব্রুয়ারি বুঝতে পারবেন। বিহারের সংখ্যাটা আমি জানি। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যাটা আমি বলে দেব ১৫ ফেব্রুয়ারি। বিহারে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যাটা কত আমি জানি, বলব না। ঠিক সময়ে ওটা বলব। যখন আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভ হবে, রেশন কার্ড বন্ধ হবে, প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনা থেকে বাদ যাবে, যখন অ্য়াকাউন্ড বন্ধ হয়ে যাবে তখন বুঝবেন ইনি ভারতীয় নয়। সময় কথা বলবে। সংখ্যাটা ঠিক সময়ে পেয়ে যাবেন।”
প্রসঙ্গত, বাংলার এসআইআর নিয়ে শুরু থেকেই চাপানউতোরের অন্ত নেই। খসড়া তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম। চলছে এসআইআরের দ্বিতীয় পর্ব। শুনানি কেন্দ্রে রোজই ভিড় করছেন হাজার হাজার মানুষ। এরইমধ্যে এসআইআর-এ চা শ্রমিকদের ডকুমেন্টের বৈধতা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করতে দেখা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। শুভেন্দু বলেন, “দার্জিলিং থেকে শুরু করে তরাই-ডুয়ার্স সহ যে সমস্ত জায়গায় চা বাগান শ্রমিকরা রয়েছেন তাঁরা বংশপরম্পরায় রয়ে গিয়েছন। তাঁদের অনেকের কাছে স্কুল সার্টিফিকেট নেই। কার্যত কোনও কাগজই নেই। এই অসুবিধা গোটা দেশে থাকার কারণে ভারত সরকার ২০০৬ সালে বন এলাকার অধিবাসীদের জন্য বন অধিকার আইন এনেছিলেন। রাজু বিস্তা প্রথম বলেন এসআইআরের ১১ দফা নথির মধ্যে ফরেস্ট রাইটসের নথিকে গ্রহণ করা হোক।” এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দেন শুভেন্দু।