Nicolás Maduro in Court: ম্যানহাটনের আদালতে মাদুরো, এজলাসে পা রেখেই তুলে ধরলেন অপহরণ তত্ত্ব – Bengali News | I am Innocent, Venezuelan Nabbed President Maduro’s First Appearence in US Court
আদালতের পথে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়াImage Credit: X
নয়াদিল্লি: পরনে ঘিয়ে রঙা পোশাক। স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের মুখে আতঙ্কের ছবি। চারপাশে ঘিরে ধরে রেখেছে মার্কিন সেনা। সোমবার আমেরিকার ম্যানহাটন আদালতে ঠিক এই ভাবেই দেখা গেল ভেনেজুয়েলার অপহৃত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে। শুক্রবার মধ্য়রাতের পর থেকে বদলে গিয়েছে এই দম্পতির জীবন। প্রাসাদ নয়, ‘ট্রাম্পের হেফাজতে’ রয়েছেন তাঁরা।
আমেরিকার অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি জানিয়েছিলেন, সস্ত্রীক মাদুরো, তাঁর পুত্র এবং আরও তিন জনের বিরুদ্ধে মাদক-পাচার, অস্ত্র-পাচারের মতো একাধিক গুরুতর মামলায় অভিযোগ দায়ের করেছে মার্কিন প্রশাসন। এমনকি জঙ্গি কার্যকলাপেও মাদুরো মদত দিতেন, বলেই অভিযোগ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। সোমবার এজলাসেও সেই অভিযোগগুলিকেই বিচারকের সামনে তুলে ধরেন সরকার পক্ষের সওয়ালকারী।
অন্যান্য অভিযুক্তদের মতোই মাদুরোর ক্ষেত্রে তাঁর বক্তব্য পেশ করার জায়গা রেখেছিল মার্কিন বিচারব্যবস্থা। এদিন মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়ার হয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী ব্যারি পোলক। কিন্তু শুনানি পর্বে ঠিক কী কী প্রসঙ্গ উঠে এল? বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার শুনানি শুরু হওয়ার পর বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টেইন মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বলেন।
সেই সময়ই মাদুরো দাবি করেন, মার্কিন সেনা তাঁকে ‘অপহরণ’ করেছে। এদিন এজলাসে স্প্য়ানিশ ভাষাতেই কথা বলছিলেন মাদুরো। বিচারপ্রক্রিয়ার সুবিধার্থে দোভাষীকে রেখেছিল মার্কিন প্রশাসন। মাদুরো বিচারকের উদ্দেশে বলেন, ‘স্যর, আমি নিকোলাস মাদুরো। ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি। আমাকে গত ৩রা জানুয়ারি অপহরণ করা হয়েছে। কারাকাসে আমার বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে এসেছে ওরা।’
মোট ৪০ মিনিট মতো চলে মাদুরোর বিরুদ্ধে ওঠা মাদক মামলার শুনানি। এজলাসে ভেনেজুয়েলার অপহৃত প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ। একেবারেই নির্দোষ।’ একই দাবি স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসেরও। স্বামীর সুরেই সুর মিলিয়েছেন তিনি। এমনকি, মার্কিন সামরিক অভিযানে সিলিয়া আহত হয়েছেন বলেও আদালতকে জানিয়েছে তাঁদের আইনজীবী। তবে সোমের শুনানিতে কোনও তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দেয়নি ম্যানহাটন আদালত। পরবর্তী শুনানি ১৭ জানুয়ারি হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক।