হেডফোন না ইয়ারফোন কোনটা ব্যবহার করছেন? না জেনে বুঝে কানে দিলে বারোটা বাজবে ব্রেনের! - Bengali News | Are you using headphones or earphones if you put them in your ears without realizing it your brain will start ringing - 24 Ghanta Bangla News
Home

হেডফোন না ইয়ারফোন কোনটা ব্যবহার করছেন? না জেনে বুঝে কানে দিলে বারোটা বাজবে ব্রেনের! – Bengali News | Are you using headphones or earphones if you put them in your ears without realizing it your brain will start ringing

Spread the love

ঘুম থেকে উঠে হোক বা জিমে,রান্না করতে করতে হোক বা রোজের যাতায়াতে সকাল থেকে রাত আপনার কানে হেডফোন বা ইয়ারফোন থাকে? বেশিক্ষন কানে রাখলে বা কান থেকে খুললেই হয় মাথাব্য়াথা? হেডফোন ,ইয়ারফোন নিয়ে প্রায়শই বড়দের কাছে বকা খেতে হয়? সত্য়ি কি এই যন্ত্রগুলি বহু ব্যবহারের ফলে আপনার কানে কম শোনার সমস্য়া হতে পারে? আপনার পছন্দের হেডফোন ,ইয়ারফোন কি হতে পারে ক্য়ান্সারের কারণ? হেডফোন না ইয়ারফোন কোনটা বেশি বিপদ্জনক জানুন আসল সত্য়।

চিকিৎসা বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য সংস্থাগুলির বর্তমান গবেষণা অনুযায়ী সরাসরি হেডফোনের সাথে ক্য়ানসারের কোনও সম্পর্ক নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থাগুলি থেকে নিশ্চিতভাবে জানা গেছে যে,হেডফোন বা এরূপ অন্যান্য কম শক্তির ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে নির্গত নন-আয়োনাইজিং রেডিয়েশন ক্য়ান্সার সৃষ্টি করতে পারে না তার কোনও প্রমাণও মেলেনি।

এগুলো ডিএনএ-র ক্ষতি করে ক্যান্সার সৃষ্টি করার মতো শক্তিশালী নয়। তবে দীর্ঘক্ষণ হেডফোন ব্য়বহার ক্য়ান্সারের কারণ না হলেও হতে পারে আপনার মাথাব্য়থা এবং শ্রবনশক্তি হ্রাসের কারণ। দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহার করলে অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যেমন, জোরে গান শোনার ফলে হিয়ারিং লস বা শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে,টিনিটাস বা কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হতে পারে,হতে পারে কানে সংক্রমণ
মাথাব্যথা বা মাথা ভার লাগার মত সমস্য়া ।

অনেকেরই পছন্দ হেডফোন,কারও আবার ইয়ারফোনেই স্বাচ্ছন্দ্য। এর মধ্যে কোনটা বেশি নিরাপদ জানেন? চিকিৎসকদের মতে,ইয়ারফোন ব্যবহার করলে কানের ভিতরে সরাসরি শব্দ পৌঁছায়। কিন্তু হেডফোন কানের ওপরে থাকে। এর কোনো অংশ কানের ভেতর পর্যন্ত পৌঁছায় না। ফলে শ্রবণশক্তির ওপর হেডফোনের চেয়ে ইয়ারফোন বেশি খারাপ প্রভাব ফেলে।

তবে অল্প সময় ইয়ারফোন ব্য়বহারে তেমন ক্ষতি নেই। দীর্ঘক্ষনের প্রয়োজনের সময় তাই হেডফোন ব্য়বহার করাই ভালো। ইয়ারফোন বা হেডফোন দুটি ব্যবহারেই বেশ কিছু সতর্কবিধি মেনে চললে এড়াতে পারবেন বিপদ। তীব্র শব্দ শুনলে কানে ব্যথা,মাথাব্যথা,মাথা ঘোরা,স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার মত সমস্য়া দেখা যেতে পারে। তবে ৮০ ডেসিবেলের নিচে শব্দ শুনলে,বহুক্ষন ধরে শব্দ শোনা থেকে খানিকটা বিরতি নিলে এই সমস্যাগুলি রোখা সম্ভব। সুতরাং কাজের প্রয়োজনে হোক বা বিনোদনের, সঠিক মাত্রায় শব্দ শুনলে এবং বিরতি নিলে এড়াতে পারবেন বিপদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *