Bankura: নেত্রীর মঞ্চে জায়গা পেলেন না, ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন তৃণমূল নেতা – Bengali News | Trinamool leader fumed after not getting a place on the leader’s stage
ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল নেতাImage Credit: TV9 Bangla
বাঁকুড়া: নেত্রীর মঞ্চে জায়গা না পেয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের এসটিসেলের জেলা সভাপতি। অস্বস্তিতে মুখে কুলুপ জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের। জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর দলীয় সভা। সেই সভায় তৃণমূলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব ঠাঁই পেলেও জায়গা পেলেন না দলের এসটি সেলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অমিয় কিস্কু। আর তারপরই এই বঞ্চনা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে রীতিমতো লাইভ করে আয়োজক দলের নেতৃত্বের প্রতি নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। এই ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে তৃণমূলের জেলা নেতারা। কটাক্ষ করার এমন সুযোগ হাতছাড়া করেনি বিজেপি।
গতকাল বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় দলীয় জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভার আয়োজক ছিল তৃণমূলের বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর ও পূর্ব বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব। মঞ্চে ওই তিন জেলার দলীয় নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ ও বিধায়কদের পাশাপাশি জায়গা পেয়েছিলেন যুব, মহিলা, সংখ্যালঘু-সহ বিভিন্ন শাখা সংগঠনের জেলা সভাপতিরা। কিন্তু মঞ্চে ঠাঁই হয়নি বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার এসটি সেলের সভাপতি অমিয় কিস্কুর। ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ ওই তৃণমূল নেতা সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
তাঁর দাবি, এসটি সেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ শাখা সংগঠনের জেলা সভাপতি যদি মঞ্চে জায়গা না পান তাহলে ওই শাখা সংগঠনের ব্লক ও অঞ্চল স্তরের নেতৃত্বও কোনও জায়গা পাবে না। ফলে আদিবাসী ভোট তৃণমূলের বিরুদ্ধে চলে যাবে। পরে ওই জেলা সভাপতি সভার আয়োজক দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “দলীয় নেতৃত্বের পদ দিলে সেই পদের মর্যাদা রক্ষার দায়িত্বও দলীয় নেতৃত্বের উপর বর্তায়।”
বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার মুখপাত্র দেবপ্রিয় বিশ্বাস বলেন , “এসটি সেলের ওই সভাপতি ঠিকমতো কাটমানি দিতে পারেননি। তাই তাঁকে মঞ্চে জায়গা না দিয়ে বালি চোর, কয়লা চোরদের মঞ্চে জায়গা দেওয়া হয়েছে।”