Samik Bhattacharya: 'এই লড়াই শেষ লড়াই', কীসের বার্তা শমীকের? - Bengali News | 'This is our last fight', says BJP state President Samik Bhattacharya to party workers - 24 Ghanta Bangla News
Home

Samik Bhattacharya: ‘এই লড়াই শেষ লড়াই’, কীসের বার্তা শমীকের? – Bengali News | ‘This is our last fight’, says BJP state President Samik Bhattacharya to party workers

Spread the love

কলকাতা: নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি। তবে বাংলায় বাড়ছে ভোটের উত্তাপ। এই আবহে দলের নেতা-কর্মীদের বড় বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যএকুশের ভোটে রাজ্যে পরিবর্তনে স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে পারেনি গেরুয়া শিবির। এবার শমীক বুঝিয়ে দিলেন, এটাই শেষ লড়াই। কেন একথা বললেন তিনি? তারও ব্যাখ্যা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

গতকাল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত অটলবিহারী বাজপেয়ির ১০১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে সুশাসন দিবস পালন করে বিজেপি। সেখানে শমীক ছাড়াও ছিলেন রাজ্য বিজেপির দুই প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাহুল সিনহা। ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসলও ছিলেন মঞ্চে। আর সেই মঞ্চ থেকে দলের নেতা-কর্মীদের ছাব্বিশের নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়ার বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূল হারবে বলে মন্তব্য করে শমীক বলেন, “২০২৬ সালে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে অটলবিহারী বাজপেয়ির সরকার প্রতিষ্ঠা হবে তাঁর জন্মশতবর্ষে। এবং প্রতিষ্ঠা হবেই। তৃণমূল কংগ্রেস চলে যাচ্ছে। যাবেই। তাকে কেউ রাখতে পারবে না। যদি এই মুহূর্তে এসআইআর বন্ধ করে দেওয়া হয়। যদি এই মুহূর্তে ইডি, সিবিআইয়ের দফতরে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। যদি এই মুহূর্তে বলে দেওয়া যায়, আর কোনও নোটিস পাঠাবে না। তারপরও তৃণমূল হারবে।”

তৃণমূল হারবে বলে মন্তব্য করে নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “কিন্তু, আপনারা যাঁরা এখানে আছেন, চুপ করে বসে থাকার সময় নয় এটা। আজকে এই এসআইআরে আপনাদের অংশগ্রহণ করতে হবে। এই এসআইআর নিয়ে তৃণমূল বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমাদের ট্রাডিশনাল ভোটব্যাঙ্কের মধ্যে ভাগ বসানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল। তৃণমূলের এই বিভ্রান্তিমূলক প্রচারে যাতে কেউ পা না দেয়, তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে। আপনি কোন দায়িত্বে রয়েছেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এসআইআরে আমাদের প্রত্যেককে অংশগ্রহণ করতে হবে। রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি খুঁজে বের করার দায়িত্ব সরকারের। এখন আর বক্তৃতা করলে হবে না। মানুষ তৈরি বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য। আর লোক দেখছে বিজেপি তৈরি কি না। এই নির্বাচন ডবল ইঞ্জিন তৈরির নির্বাচন। গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত সরকার তৈরির নির্বাচন। এই নির্বাচন জঙ্গলরাজকে উৎখাত করার নির্বাচন।”

এখানেই না থেমে তিনি বলেন, “প্রত্যেকেই জানেন, টিকিট পাই না পাই, আমি মারা যাওয়ার পর যেন বিজেপির পতাকা বুকের উপর থাকে। নতুন করে বলার কিছু নেই। এই নির্বাচন আমাদের জিততে হবে। গণতন্ত্রে জেতাটাই শেষ কথা। এখন মানুষ পরিত্রাণ চাইছে। আমরা অনেক দিন কাটিয়েছি। এবং হারব জেনে কাটিয়েছি। কিন্তু, আজ আমরা জিততে এসেছি। কারণ এই লড়াই শেষ লড়াই। না হলে আর আমরা পার্টি করতে পারব না।”

নিজের বক্তব্যে সিপিএম-কেও আক্রমণ করেন শমীক। তিনি বলেন, “১৯৪৭ সালের ২০ জুন বাংলা ভাগের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন বামেদের জ্যোতি বসু আর রতনলাল বর্মণ। ভেতরে ভোট দিলেন। আর বাইরে বেরিয়ে এসে বললেন, বাংলাকে ভাগ করল কে, শ্যামাপ্রসাদ আবার কে। এটাই বামপন্থীদের চরিত্র। এভাবেই এরা দীর্ঘদিন রাজনীতি চালিয়ে গিয়েছে। এই মিথ্যাচারের জবাব দেওয়ার সময় এসেছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *