SIR in Bengal: বন্যা ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে নথি, নাম থাকবে SIR-এ? চিন্তায় কাটোয়ার ২৫ পরিবার - Bengali News | Several families are in tension in Katwa as they lost their documents in flood - 24 Ghanta Bangla News
Home

SIR in Bengal: বন্যা ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে নথি, নাম থাকবে SIR-এ? চিন্তায় কাটোয়ার ২৫ পরিবার – Bengali News | Several families are in tension in Katwa as they lost their documents in flood

Spread the love

SIR-এ নাম থাকা নিয়ে চিন্তায় ২৫ পরিবারImage Credit: TV9 Bangla

কাটোয়া: নাম নেই ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। নেই SIR-র জন্য প্রয়োজনীয় নথি। নাগরিকত্ব প্রমাণে ডাকা হতে পারে হিয়ারিংয়ে। সেখানে কী দেখা হবে? তাদের নাম থাকবে এসআইআর-এ? এই ভাবনায় দিন কাটছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ২ নম্বর ব্লকের অগ্রদ্বীপ গ্রামের ১৮৪ নম্বর বুথের ২৫টি পরিবারের। তবে এই পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল।

জানা গিয়েছে, সমস্যায় থাকা পরিবারগুলি বহু বছর ধরে কাটোয়ায় বসবাস করছে। তাদের পূর্বপুরুষরাও এখানেই বাস করতেন। কিন্তু, ভাঙন ও বন্যায় বাড়িতে থাকা ভিটে-জমির দলিল ভেসে গিয়েছে। অনেকের সেই সব নথি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মূলত, অগ্রদ্বীপ গ্রাম ভাঙন ও বন্যা কবলিত। প্রতি বছরই ভাঙন ও বন্যা লেগেই থাকে।একসময় এই পরিবারগুলির বসবাস ছিল ভাগীরথী নদীর পাড় লাগোয়া। ২০০০ সালে বন্যায় বাড়ি-জমি হারায় পরিবারগুলো। বন্যার জলে ভেসে যায় প্রয়োজনীয় নথি।

বর্তমানে কেউ খাস জায়গায় ঘর বানিয়ে, কেউ রাস্তার ধারে, কেউ জমি কিনে ঘর তৈরি করে বসবাস করছেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম নেই। বছর খানেক আগে হয়েছে ভোটার, আধার কার্ড। কারও রয়েছে জব কার্ড। নথি বলতে এইটুকুই। নেই পুরানো জমির দলিল। নেই পুরানো হাতে লেখা ব্যাঙ্কের পাশ বই।

এই ২৫টি পরিবার এনুমারেশন ফর্ম পেয়েছেন। তা ফিলাপ করে বিএলও-কে জমাও দিয়েছেন। তারপরও চিন্তায় রয়েছেন দীপালি ঘোষ, উত্তরা ঘোষ, জওহরলাল বাগ, ভাদুরি বাগ, কনকলতা দাস, সুচিত্রা সর্দার, কৃষ্ণধন বাগরা। তাঁরা বলছেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম নেই। প্রয়োজনীয় নথিও নেই। আপাতত পুরানো নথির খোঁজে স্থানীয় পঞ্চায়েত অফিস থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন তাঁরা।

এই প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা কৃষ্ণধন বাগ বলেন, “পরিবারগুলি বন্যায় সব হারিয়েছে। তাদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নামও নেই। তেমনই প্রয়োজনীয় নথিও নেই। চিন্তায় বারবার ছুটে আসছেন। আমরা পাশে আছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *