Bangladeshi: বাংলাদেশি শ্রাবন্তী কি না তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান? বিস্ফোরক দাবি BJP-র – Bengali News | BJP said Kalna panchayet pradhan is bangladeshi and she have fake documents
বাংলাদেশি কি না পঞ্চায়েত প্রধান?Image Credit: Tv9 Bangla
কালনা: বাংলাদেশ থেকে বেআইনিভাবে ভারতে এসে এক ব্যক্তিকে বাবা বানিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়, এরপর ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃণমূলের টিকিটে প্রধান। এমনই মারাত্মক অভিযোগ করল বিজেপি। অভিযুক্ত প্রধানের নাম শ্রাবন্তী মণ্ডল। তিনি কালনার হাটকলনা পঞ্চায়েতে প্রধান। অবিলম্বে এই তাঁকে পদচ্যুত করার দাবি জানিয়ে কালনা মহকুমা শাসকের দফতরে ডেপুটেশন দিয়ে অভিযোগ জানাল গেরুয়া শিবির। যদিও, শ্রাবন্তী মণ্ডল তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, আগে প্রমাণ করুক তাঁর নথি ভুয়ো। যদিও, এই বিষয়ে কালনার মহকুমা শাসক অহিংসা জৈন ফোন ধরেননি।
অভিযোগ, ২০২০ সালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে কালনার মুক্তারপুর গ্রামের ৮৭ নম্বর বুথে বিগত পাঁচ বছর ধরে বসবাস করছেন শ্রাবন্তী মণ্ডল ও তাঁর স্বামী তৃণমূল নেতা বনমালী মণ্ডল। এই এলাকারই এক পার্শ্ববর্তী বসবাসকারীকে বাবা সাজিয়ে ভোটার তালিকাও নাম তোলেন শ্রাবন্তী বলে দাবি বিজেপির। এরপর গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন। তারপর হাটকালনা পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচিত হন।
শ্রাবন্তী মণ্ডলের পরিবারের বাবা মা, দাদু ঠাকুমা কোনও ব্যক্তি ভারতের গরিক নন। এমনকী তাঁর জাতিগত শংসাপত্র ও জন্মশংসাপত্র অবৈধ বলে অভিযোগ বিজেপির। শ্রাবন্তী মন্ডলের স্বামীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ,বর্তমানে ভারতে বসবাস করেন না এমন চার ব্যক্তির এনুমারেশান ফ্রম BLO র কাছ থেকে নিয়ে তিনি নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। উক্ত BLO সেই ফর্ম জমা করতে বলায় তিনি কর্ণপাত করেননি।
শ্রাবন্তী বলেন, “যাঁরা রিপোর্ট করেছে তাঁরা আগে প্রমাণ করুক আমার সমস্ত নথি ভুয়ো। তারপর আমি প্রমাণ করব।” এমনকী, স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। বলেন, “যাদের এনুমারেশন ফর্ম নিয়েছেন তাঁরা সকলেই আত্মীয় আমার। আর ফর্ম যে কেউ তুলতে পারবে।”
বিজেপি দলের অভিযোগ বাংলাদেশ থেকে এসে অবৈধভাবে ভোটার তালিকায় অন্যকে বাবা সাজিয়ে নাম তুলেছে প্রধান শ্রাবন্তী মন্ডল। তার সমস্ত নথি ভুয়ো। এমনকি তার স্বামী ভারতের নাগরিক নয় এমন চারজনের এনুমারেশন ফর্ম নিজের কাছে কোন উদ্দেশ্যে রেখে দিলেন, সম্পূর্ণ তথ্য সামনে আসার জন্যই আজকের মহকুমা শাসকের কাছে ডেপুটেশন। বিজেপি জেলা প্রেসিডেন্ট স্মৃতি কণা বসু বলেন, “উনি কীভাবে প্রধান হলেন? এসসি সার্টিফিকেট কীভাবে এলে? ওই মহিলা বাংলাদেশি।” অপরদিকে, কালনার তৃণমূল বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ বলেন, “ওদের কাছে বৈধ আছে বলেই ভোটে লড়তে পেরেছে। বিজেপির অভিযোগ সঠিক নয়। যদি প্রয়োজন হয় সমস্ত নথি দেখাবে।”