Malda: শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকেও নেই, ছাত্রীরাই এই স্কুলে পড়ায় - Bengali News | Teachers are allegedly not taking classes properly, students taking classes in Malda - 24 Ghanta Bangla News
Home

Malda: শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকেও নেই, ছাত্রীরাই এই স্কুলে পড়ায় – Bengali News | Teachers are allegedly not taking classes properly, students taking classes in Malda

Spread the love

মালদহ:

মালদা- ছাত্রীরাই ক্লাস নিচ্ছে, নিজেরাই পড়ছে, স্কল চালাচ্ছে। কারণ শিক্ষিকারা স্কুলেই যান না। স্কুল দোতলা। আছে শ্রেণিকক্ষ,আছে বেঞ্চ,আছে ছাত্রীরাও। রয়েছেন একজন স্থায়ী শিক্ষিকা ও একজন অতিথি শিক্ষক। তবে স্কুলে ছাত্রীদের দেখা মিললেও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত দেখা পাওয়া যায় না। ক্লাসরুমে গেলে চোখে পড়বে পড়ুয়ারাই সেখানে শিক্ষক ৷ তারা ক্লাস নিচ্ছে। আর স্কুল শেষে মিড ডে মিল খেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে ছাত্রীরা। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বনসরিয়া উচ্চ প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অব্যবস্থার ছবি সামনে এসেছে।

২০১০ সালে স্কুলটি পথচলা শুরু করে। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ২২ জন ছাত্রী রয়েছে। স্থায়ী শিক্ষিকা রয়েছেন তনুশ্রী বিশ্বাস। তিনি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। অতিথি শিক্ষক রয়েছেন‌ তহিদ ইসলাম। অভিযোগ,তাঁরা আবার নিয়মিত স্কুলে আসেন না। ছাত্রীরা এসে নিজেরাই নিজেদের ক্লাস নিয়ে মিড ডে মিল খেয়ে বাড়ি চলে যায়। সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী রুপা দাস ও‌ ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী পাখি দাস বলেন,শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিয়মিত স্কুল আসেন না। সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন স্কুল আসেন। দুপুরে বারোটার সময় স্কুল আসেন। এমনকি কোনও দিন কেউই আসেন না। মিড ডে মিল নিয়মিত রান্না হয়না। মেনু চার্ট অনুযায়ী খাবার দেওয়া হয় না। আমরা নিজেরাই ক্লাস নিয়ে মিড ডে মিল খেয়ে বাড়ি চলে যায়।

School Problem In Malda (2)

স্থানীয় বাসিন্দা মিঠুন দাস ও কার্তিক দাস বলেন, বারবার অভিযোগ করেও কোনও কিছু বদলাচ্ছে না। নিয়মিত শিক্ষক শিক্ষিকারা স্কুলে আসেন না। নতুন শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে না। যার ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা কিছুই শিখতে পারছে না। সঙ্গে মিড-ডে মিল নিয়ে হচ্ছে দুর্নীতি। ছাত্রীরা নিজেরাই ক্লাস নিয়ে মিড ডে মিল খেয়ে বাড়ি চলে যায়। ক্লাসে কোন শিক্ষক-শিক্ষিকা না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রধান শিক্ষিকা তনুশ্রী সাফাই দিয়ে বলেন,আমাকে একাই স্কুলের সব কাজ সামলাতে হয়। ব্লক অফিসে যেতে হয়। অসুস্থ থাকার কারণে নিয়মিত স্কুল যেতে পারছি না। অতিথি শিক্ষককে স্কুলে আসতে বলেছি। তবে মিড ডে মিল নিয়মিত হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর চক্রের বিদ্যালয় পরিদর্শক শর্মিলা ঘোষ বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে মিটিং করা হয়েছে। নিয়মিত স্কুল করতে বলা হয়েছে। কি কারনে নিয়মিত স্কুল আসেন না খোঁজ নিয়ে দেখছি। অভিযোগ সত্যি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *