Gold-Silver Investment: ১ মাসে কমল সোনার দাম! এখন বিক্রি করবেন নাকি বিনিয়োগ? – Bengali News | Gold Silver Investment: Gold Price Has Dropped From Mid October, Should You Sell to Book Profit Or Invest Now?
কমছে দাম, বিক্রি করবেন নাকি কিনবেন সোনা?Image Credit: Getty Images
সোনা ও রুপোর দামে বিরাট ধাক্কা। গত ১ মাসে এক ধাক্কায় বেশ খানিকটা পড়েছে এই দুই দামি ধাতুর দাম। অক্টোবরের শেষ ভাগেই হুড়মুড়িয়ে পড়েছে সোনা ও রুপোর দাম। ১৭ অক্টোবর থেকে সোনার দাম পড়েছে ৫ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে, রুপোর দামও নিজেকে ঠেকাতে পারেনি। ১৪ অক্টোবরের পর থেকে প্রায় ১৭ শতাংশ পড়েছে রুপোর দাম। কিন্তু কেন হঠাৎ এইভাবে দাম কমছে এই দুই ধাতুর? এখন কি বিনিয়োগ করা উচিত?
পতন কেন?
সুই ধাতুর পতনের পিছনে রয়েছে একাধিক কারণ। বিশ্ব বাজারে আমেরিকা-চিনের বাণিজ্য উত্তেজনা কমার সঙ্গে সঙ্গেই সোনার মতো সেফ হেভেনের চাহিদা কমেছে। সঙ্গে আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নিয়েও সতর্ক মনোভাব এবং ডলার সূচকের ঊর্ধ্বগতি সোনার দামে চাপ সৃষ্টি করেছে। ঘরোয়া বাজারে অক্টোবরে মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সোনা যখন ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল, তখন থেকেই অনেক বিনিয়োগকারী তাদের হাতে থাকা সোনা বিক্রি করে দেওয়া শুরু করেন। আর এই দুয়ের ধাক্কায় কমেছে সোনার দাম।
দীর্ঘমেয়াদী কৌশল কী হবে?
বিশেষজ্ঞরা কিন্তু এই সময় আতঙ্কিত হতে বারণ করছেন। আনন্দ রাঠি ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের মিউচুয়াল ফান্ড বিশেষজ্ঞ শ্বেতা রজনী বলছেন, ইক্যুইটির মতো সোনা বা রুপো চাহিদার উপর চলে। আয়ের ওপর নয়। তবে যদি আপনি দীর্ঘ মেয়াদে ঋণপত্রের বিকল্প হিসেবে সোনা দেখেন, তবে এই পতনকে কেনার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতেই পারেন। যদিও তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র সোনাতে এমন বিনিয়োগ করা উছিত। রুপোয় কিন্তু নয়।
অন্যদিকে, গ্রো মিউচুয়াল ফান্ডের সিইও বরুণ গুপ্তের মতে, স্বল্প মেয়াদের দিকে না তাকিয়ে এই মুহূর্তে এসআইপির মাধ্যমে সিস্টেমেটিক বিনিয়োগই বুদ্ধিমানের কাজ। এই সময়ে আপনার পোর্টফোলিওতে যদি গোল্ড অ্যালোকেশন কমে যায়, তবে সামান্য পুনর্বিন্যাস করা যেতে পারে। মার্কেট অ্যানালিস্টরা বলছেন, পোর্টফোলিওর ১০ শতাংশের বেশি এই মুহূর্তে সোনায় বিনিয়োগ না করাই ভাল। এবং তাঁরা এটাও বলছেন যে এই ধরনের অ্যাসেট ক্লাসে একবারে টাকা না ঢেলে কিস্তিতে বিনিয়োগ করতে।
চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত গোল্ড ইটিএফ-এর গড় রিটার্ন দিয়েছে ৫৭ শতাংশের কিছু বেশি। অন্যদিকে সিলভার ইটিএফের ক্ষেত্রে তা প্রায় ৭৫ শতাংশ। আর সেই কারণেই, স্বল্প মেয়াদের অস্থিরতা সামলে সোনা-রূপা এখনও পোর্টফোলিওর স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। আগামী দিনে সোনার রিজার্ভে বিভিন্ন দেশের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কগুলোর ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও দীর্ঘমেয়াদে রুপোর সাপ্লাইয়ে ঘাটতি একে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।